ঢাকা ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসার আহ্বান ট্রাম্পের: ‘দেরি হওয়ার আগেই পদক্ষেপ নিন’

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে যত দ্রুত সম্ভব আলোচনার টেবিলে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইরানের আলোচকদের ‘অদ্ভুত’ বলে মন্তব্য করেন এবং বলেন, তাদের উচিত ‘সিরিয়াস’ হওয়া।

ট্রাম্পের দাবি, ইরানের সামরিক শক্তি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তা পুনরুদ্ধারের আর কোনো সুযোগ নেই। তাই, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি চুক্তির জন্য ‘মিনতি’ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। যদিও প্রকাশ্যে ইরান বলছে যে তারা কেবল যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব বিবেচনা করছে, যা তাদের দিক থেকে একটি ভুল বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, “যত দ্রুত সম্ভব, এ বিষয়ে ‘সিরিয়াস’ হওয়া ভালো। কারণ একবার সময় শেষ হয়ে গেলে সেখান থেকে আর ফিরে আসার সুযোগ থাকবে না এবং তার পরিণতিও ভালো হবে না।”

অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন যে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে মিত্র দেশগুলোর মাধ্যমে যোগাযোগ হচ্ছে। তবে, তিনি এটিকে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা বলতে রাজি নন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন নীতি নিয়ে লাভরভের সঙ্গে আরাগচির আলোচনা

ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসার আহ্বান ট্রাম্পের: ‘দেরি হওয়ার আগেই পদক্ষেপ নিন’

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে যত দ্রুত সম্ভব আলোচনার টেবিলে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইরানের আলোচকদের ‘অদ্ভুত’ বলে মন্তব্য করেন এবং বলেন, তাদের উচিত ‘সিরিয়াস’ হওয়া।

ট্রাম্পের দাবি, ইরানের সামরিক শক্তি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তা পুনরুদ্ধারের আর কোনো সুযোগ নেই। তাই, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি চুক্তির জন্য ‘মিনতি’ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। যদিও প্রকাশ্যে ইরান বলছে যে তারা কেবল যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব বিবেচনা করছে, যা তাদের দিক থেকে একটি ভুল বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, “যত দ্রুত সম্ভব, এ বিষয়ে ‘সিরিয়াস’ হওয়া ভালো। কারণ একবার সময় শেষ হয়ে গেলে সেখান থেকে আর ফিরে আসার সুযোগ থাকবে না এবং তার পরিণতিও ভালো হবে না।”

অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন যে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে মিত্র দেশগুলোর মাধ্যমে যোগাযোগ হচ্ছে। তবে, তিনি এটিকে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা বলতে রাজি নন।