ঢাকা ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংকট ও বাংলাদেশের অর্থনীতি: উদ্বেগের কারণ ও বাস্তবতা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার আঁচ সরাসরি এসে লেগেছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানির দাম বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রতিটি পণ্যের মূল্যে। জ্বালানি তেলের দাম দফায় দফায় বাড়ার ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা ভবিষ্যতে আরও বড় সংকট তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত শুরুর পর থেকেই বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে অস্থিরতা দেখা দেয়। ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম ৭১-৮১ ডলার থেকে বেড়ে এক পর্যায়ে ১২৮ ডলার পর্যন্ত পৌঁছায়। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনা কোনো কার্যকর সমাধান ছাড়াই শেষ হওয়ায় বিশ্ববাজারে ফের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে পাল্টাপাল্টি অবরোধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে, যা সরাসরি বাংলাদেশের আমদানিনির্ভর অর্থনীতির ওপর বড় আঘাত এনেছে।

তবে বিশ্ববাজারের অস্থিরতার পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে মজুতদারি ও অতিমুনাফার প্রবণতা সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। বিশেষজ্ঞ ও সাধারণ মানুষ মনে করছেন, আন্তর্জাতিক সংকটের সুযোগ নিয়ে একটি অসাধু চক্র বাজারে অস্থিতিশীলতা তৈরি করছে। জ্বালানি আমদানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং দেশের বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে এখনই কঠোর প্রশাসনিক নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরবর্তী রাষ্ট্রপতির দৌড়ে কারা: আলোচনায় চার বর্ষীয়ান নেতা

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংকট ও বাংলাদেশের অর্থনীতি: উদ্বেগের কারণ ও বাস্তবতা

আপডেট সময় : ০৯:৫২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার আঁচ সরাসরি এসে লেগেছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানির দাম বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রতিটি পণ্যের মূল্যে। জ্বালানি তেলের দাম দফায় দফায় বাড়ার ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা ভবিষ্যতে আরও বড় সংকট তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত শুরুর পর থেকেই বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে অস্থিরতা দেখা দেয়। ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম ৭১-৮১ ডলার থেকে বেড়ে এক পর্যায়ে ১২৮ ডলার পর্যন্ত পৌঁছায়। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনা কোনো কার্যকর সমাধান ছাড়াই শেষ হওয়ায় বিশ্ববাজারে ফের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে পাল্টাপাল্টি অবরোধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে, যা সরাসরি বাংলাদেশের আমদানিনির্ভর অর্থনীতির ওপর বড় আঘাত এনেছে।

তবে বিশ্ববাজারের অস্থিরতার পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে মজুতদারি ও অতিমুনাফার প্রবণতা সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। বিশেষজ্ঞ ও সাধারণ মানুষ মনে করছেন, আন্তর্জাতিক সংকটের সুযোগ নিয়ে একটি অসাধু চক্র বাজারে অস্থিতিশীলতা তৈরি করছে। জ্বালানি আমদানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং দেশের বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে এখনই কঠোর প্রশাসনিক নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।