আসন্ন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের জন্য টিকিট বিক্রির চূড়ান্ত সময়সূচি ঘোষণা করেছে ফিফা। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী ১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই বিক্রি টুর্নামেন্টের শেষ দিন পর্যন্ত চলবে। এই ধাপে টিকিট ‘আগে এলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে বিক্রি করা হবে।
ফিফার তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত পূর্ববর্তী ধাপগুলোতে ১ মিলিয়নের বেশি টিকিট বিক্রি হয়েছে। নতুন এই ধাপে অতিরিক্ত টিকিট পর্যায়ক্রমে ছাড়া হবে, ফলে কোন ম্যাচে আসন খালি আছে তা সময়ভেদে পরিবর্তিত হতে পারে।
বিশ্বকাপের এই আসর ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে এবং মোট ১০৪টি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আগেই জানিয়েছেন যে টিকিটের চাহিদা “একসঙ্গে ১,০০০ বছরের বিশ্বকাপের সমান” এবং আশা করা হচ্ছে যে সব ম্যাচই দর্শকদের পূর্ণ থাকবে।
তবে, টিকিটের মূল্য নিয়ে সমালোচনা থামছে না। ইউরোপের সমর্থকদের সংগঠন ফুটবল সাপোর্টার্স ইউরোপ ইতোমধ্যে ইউরোপিয়ান কমিশনে ফিফার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। তাদের দাবি, ‘ডায়নামিক প্রাইসিং’ পদ্ধতির মাধ্যমে টিকিটের দাম অযৌক্তিকভাবে বাড়ানো হয়েছে, যা সমর্থকদের ওপর অন্যায্য চাপ সৃষ্টি করছে।
উল্লেখ্য, গ্রুপ পর্বের সর্বনিম্ন টিকিট মূল্য ছিল ১৪০ ডলার এবং ফাইনালের টিকিট সর্বোচ্চ ৮,৬৮০ ডলার পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়। সেমিফাইনালের টিকিটের দামও বেশ চড়া, সর্বনিম্ন ৯২০ থেকে সর্বোচ্চ ১,১২৫ ডলার।
ফিফা জানিয়েছে, শেষ ধাপের টিকিট ‘আগে এলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে বিক্রি করা হবে। এই পর্যায়ে দর্শকরা নিজেদের পছন্দমতো আসনও নির্বাচন করার সুযোগ পাবেন। যারা ইতিমধ্যেই টিকিট কিনেছেন, তারা ১ এপ্রিল থেকে নিজেদের আসন বরাদ্দ দেখতে পারবেন। সব মিলিয়ে, বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রি ঘিরে একদিকে যেমন ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে, তেমনই মূল্য নিয়ে বিতর্কও সমানতালে বাড়ছে।
রিপোর্টারের নাম 

























