যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতার গুঞ্জন শোনা গেলেও তেহরান এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, যেকোনো ফলপ্রসূ আলোচনার জন্য ওয়াশিংটনকে বড় ধরনের ছাড় দিতে হবে। বিশেষ করে ইরানের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় আলোচনার মোড় বদলে গেছে।
ইরানের পক্ষ থেকে বেশ কিছু কঠিন শর্ত দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ভবিষ্যতে সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার নিশ্চয়তা এবং হরমুজ প্রণালির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ। এছাড়া ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি নিয়ে কোনো ধরনের আলোচনা করতেও সাফ মানা করে দিয়েছে দেশটি। এসব শর্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য মেনে নেওয়া অত্যন্ত কঠিন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, আলোচনার পরিবেশ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। ট্রাম্প আলোচনার দাবি করলেও ইরান তা সরাসরি অস্বীকার করেছে। তবে পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের মাধ্যমে উভয় পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদানের খবর পাওয়া গেছে। চলতি সপ্তাহেই ইসলামাবাদে এ বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 




















