ঢাকা ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় জ্বালানি সংকট: এলএনজি সরবরাহে কাতারের ‘অনিবার্য পরিস্থিতি’ ঘোষণা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থার প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহে ‘ফোর্স মজিউর’ বা ‘অনিবার্য পরিস্থিতি’র ঘোষণা দিয়েছে কাতারএনার্জি। এর ফলে কাতার থেকে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে গ্যাস কেনা ইতালি, বেলজিয়াম, দক্ষিণ কোরিয়া এবং চীনের মতো দেশগুলো সরবরাহ সংকটে পড়তে পারে।

আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, ‘ফোর্স মজিউর’ হলো এমন একটি রক্ষাকবচ যা যুদ্ধ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতিতে কোনো সংস্থাকে চুক্তির দায়বদ্ধতা থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটার ফলে কাতার এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।

গত মাসের শেষ দিকে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর থেকে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কাতারের পাশাপাশি কুয়েত ও বাহরাইনের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি সংস্থাগুলোও একই ধরনের আইনি সুরক্ষা কার্যকর করেছে, যা বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম আরও বাড়িয়ে দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা পাঠালো বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীর মানবিক উদ্যোগ

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় জ্বালানি সংকট: এলএনজি সরবরাহে কাতারের ‘অনিবার্য পরিস্থিতি’ ঘোষণা

আপডেট সময় : ১০:৪১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থার প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহে ‘ফোর্স মজিউর’ বা ‘অনিবার্য পরিস্থিতি’র ঘোষণা দিয়েছে কাতারএনার্জি। এর ফলে কাতার থেকে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে গ্যাস কেনা ইতালি, বেলজিয়াম, দক্ষিণ কোরিয়া এবং চীনের মতো দেশগুলো সরবরাহ সংকটে পড়তে পারে।

আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, ‘ফোর্স মজিউর’ হলো এমন একটি রক্ষাকবচ যা যুদ্ধ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতিতে কোনো সংস্থাকে চুক্তির দায়বদ্ধতা থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটার ফলে কাতার এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।

গত মাসের শেষ দিকে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর থেকে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কাতারের পাশাপাশি কুয়েত ও বাহরাইনের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি সংস্থাগুলোও একই ধরনের আইনি সুরক্ষা কার্যকর করেছে, যা বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম আরও বাড়িয়ে দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করছে।