ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

মিঠামইনে আধিপত্য বিস্তারের লড়াই: সংঘর্ষে আহত ৩০, উত্তেজনা

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার সকালে উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের হেমন্তগঞ্জ এলাকায় এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা কাশেম গ্রুপ এবং বিএনপি নেতা নজির গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব শত্রুতার জেরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই জের ধরে সোমবার সকালে লাউ কুড়ার মাঠে উভয় পক্ষের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী এই সংঘর্ষ বেঁধে যায়।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় ৩০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে বিএনপি নেতা নজির গ্রুপের ২১ জন রয়েছেন। গুরুতর আহত আসাদ (৩৫) ও কাতল মিয়া (৩০)-কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আরও পাঁচজনকে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি আহতদের মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঈদের আগে থেকেই কাশেম চেয়ারম্যান গ্রুপের সদস্যরা দেশীয় অস্ত্র মজুদ করছিল এবং ঈদের নামাজের পর হামলার পরিকল্পনা ছিল। তবে তা বাস্তবায়িত না হওয়ায় আগের রাত থেকেই হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সকালে নজির গ্রুপের ওপর হামলা হলে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

অভিযোগ রয়েছে, কাশেম চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলার তথ্যও রয়েছে এবং তিনি মাঝে মধ্যে বিদেশ অবস্থান করেন।

এ বিষয়ে মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাতকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরি, ১১টি সিলিং ফ্যান লুট

মিঠামইনে আধিপত্য বিস্তারের লড়াই: সংঘর্ষে আহত ৩০, উত্তেজনা

আপডেট সময় : ০৭:১০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার সকালে উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের হেমন্তগঞ্জ এলাকায় এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা কাশেম গ্রুপ এবং বিএনপি নেতা নজির গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব শত্রুতার জেরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই জের ধরে সোমবার সকালে লাউ কুড়ার মাঠে উভয় পক্ষের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী এই সংঘর্ষ বেঁধে যায়।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় ৩০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে বিএনপি নেতা নজির গ্রুপের ২১ জন রয়েছেন। গুরুতর আহত আসাদ (৩৫) ও কাতল মিয়া (৩০)-কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আরও পাঁচজনকে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি আহতদের মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঈদের আগে থেকেই কাশেম চেয়ারম্যান গ্রুপের সদস্যরা দেশীয় অস্ত্র মজুদ করছিল এবং ঈদের নামাজের পর হামলার পরিকল্পনা ছিল। তবে তা বাস্তবায়িত না হওয়ায় আগের রাত থেকেই হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সকালে নজির গ্রুপের ওপর হামলা হলে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

অভিযোগ রয়েছে, কাশেম চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলার তথ্যও রয়েছে এবং তিনি মাঝে মধ্যে বিদেশ অবস্থান করেন।

এ বিষয়ে মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।