ঢাকা ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্যবস্তুতে ইসরাইলি যুদ্ধবিমান, উভয় পক্ষের দাবি

ইসরাইলি যুদ্ধবিমান ইরানের আকাশসীমায় অভিযান চালানোর সময় দেশটির ভূমি থেকে নিক্ষেপ করা একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় এসেছিল। ইরান এবং ইসরাইল উভয় পক্ষই এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে, তবে ঠিক কখন এটি ঘটেছে তা স্পষ্ট করা হয়নি।

ইসরাইলের পক্ষ থেকে টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তাদের বিমানবাহিনীর সদস্যরা পেশাদারিত্বের সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছেন। তাদের দাবি, এই ঘটনায় বিমানের কোনো ক্ষতি হয়নি এবং অভিযান নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে।

অন্যদিকে, তেহরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, তারা তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবস্থিত একটি জ্বালানি ট্যাংকার এবং একটি জ্বালানি সরবরাহকারী উড়োজাহাজে (রিফুয়েলিং জেট) ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইরানের এই হামলায় ইসরাইলের সামরিক বিমানের উড্ডয়ন এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা গুরুতরভাবে ব্যাহত হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে।

ইরানের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে আরও জানায় যে, এই হামলায় ইসরাইল তাদের বেশ কিছু সেনা সদস্যকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, ইরানের ওপর থেকে হুমকি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের হামলা পূর্ণ শক্তি নিয়ে অব্যাহত থাকবে।

এর আগে, ইরানে আকাশসীমায় দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার তৎপরতায় একটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং সেটি জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়েছিল। চলমান যুদ্ধে মার্কিন এই পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমানটির আঘাতপ্রাপ্ত হওয়াকে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ন্যাটো মিত্রদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর মনোভাব: সহায়তা না দেওয়ায় শাস্তির ভাবনা

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্যবস্তুতে ইসরাইলি যুদ্ধবিমান, উভয় পক্ষের দাবি

আপডেট সময় : ০৮:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

ইসরাইলি যুদ্ধবিমান ইরানের আকাশসীমায় অভিযান চালানোর সময় দেশটির ভূমি থেকে নিক্ষেপ করা একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় এসেছিল। ইরান এবং ইসরাইল উভয় পক্ষই এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে, তবে ঠিক কখন এটি ঘটেছে তা স্পষ্ট করা হয়নি।

ইসরাইলের পক্ষ থেকে টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তাদের বিমানবাহিনীর সদস্যরা পেশাদারিত্বের সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছেন। তাদের দাবি, এই ঘটনায় বিমানের কোনো ক্ষতি হয়নি এবং অভিযান নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে।

অন্যদিকে, তেহরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, তারা তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবস্থিত একটি জ্বালানি ট্যাংকার এবং একটি জ্বালানি সরবরাহকারী উড়োজাহাজে (রিফুয়েলিং জেট) ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইরানের এই হামলায় ইসরাইলের সামরিক বিমানের উড্ডয়ন এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা গুরুতরভাবে ব্যাহত হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে।

ইরানের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে আরও জানায় যে, এই হামলায় ইসরাইল তাদের বেশ কিছু সেনা সদস্যকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, ইরানের ওপর থেকে হুমকি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের হামলা পূর্ণ শক্তি নিয়ে অব্যাহত থাকবে।

এর আগে, ইরানে আকাশসীমায় দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার তৎপরতায় একটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং সেটি জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়েছিল। চলমান যুদ্ধে মার্কিন এই পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমানটির আঘাতপ্রাপ্ত হওয়াকে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।