ঢাকা ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের পাশে রাশিয়া: পুতিনের আশ্বাস, তবে সহায়তার বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন

নওরোজ উপলক্ষে ইরানের নেতাদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, মস্কো সবসময় তেহরানের ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার’ হিসেবে পাশে থাকবে। শনিবার ক্রেমলিন থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তিনি ইরানের জনগণের জন্য শুভকামনা জানিয়ে চলমান কঠিন সময় সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান-কে নওরোজের শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান।

তবে ইরানের প্রতি রাশিয়ার বাস্তব সমর্থনের মাত্রা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। কিছু ইরানি সূত্র দাবি করেছে, ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর থেকে বর্তমান সংকট সবচেয়ে বড় হলেও মস্কোর কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহায়তা তারা পায়নি। অন্যদিকে, রাশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার কারণে পুরো মধ্যপ্রাচ্য বড় ধরনের অস্থিরতার মুখে পড়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারকেও প্রভাবিত করছে। তারা ইরানের সর্বোচ্চ নেতার বিরুদ্ধে হামলার ঘটনাকে ‘নিষ্ঠুর কাজ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

এদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকো একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যেখানে বলা হয়েছে, মস্কো নাকি ওয়াশিংটনের কাছে একটি প্রস্তাব দিয়েছিল। প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইউক্রেনকে রাশিয়া-সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া বন্ধ করে, তবে রাশিয়াও ইরানের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বন্ধ করবে। তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। অন্যদিকে, ক্রেমলিন এই দাবিকে ‘ভুয়া’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ন্যাটো মিত্রদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর মনোভাব: সহায়তা না দেওয়ায় শাস্তির ভাবনা

ইরানের পাশে রাশিয়া: পুতিনের আশ্বাস, তবে সহায়তার বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ০৫:১০:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

নওরোজ উপলক্ষে ইরানের নেতাদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, মস্কো সবসময় তেহরানের ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার’ হিসেবে পাশে থাকবে। শনিবার ক্রেমলিন থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তিনি ইরানের জনগণের জন্য শুভকামনা জানিয়ে চলমান কঠিন সময় সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান-কে নওরোজের শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান।

তবে ইরানের প্রতি রাশিয়ার বাস্তব সমর্থনের মাত্রা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। কিছু ইরানি সূত্র দাবি করেছে, ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর থেকে বর্তমান সংকট সবচেয়ে বড় হলেও মস্কোর কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহায়তা তারা পায়নি। অন্যদিকে, রাশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার কারণে পুরো মধ্যপ্রাচ্য বড় ধরনের অস্থিরতার মুখে পড়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারকেও প্রভাবিত করছে। তারা ইরানের সর্বোচ্চ নেতার বিরুদ্ধে হামলার ঘটনাকে ‘নিষ্ঠুর কাজ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

এদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকো একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যেখানে বলা হয়েছে, মস্কো নাকি ওয়াশিংটনের কাছে একটি প্রস্তাব দিয়েছিল। প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইউক্রেনকে রাশিয়া-সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া বন্ধ করে, তবে রাশিয়াও ইরানের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বন্ধ করবে। তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। অন্যদিকে, ক্রেমলিন এই দাবিকে ‘ভুয়া’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।