ঢাকা ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ছয় দশকের মধ্যে এই প্রথম ঈদে আল-আকসায় নামাজ আদায় থেকে ফিলিস্তিনিরা বঞ্চিত

পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের জন্য ফিলিস্তিনিদের আল-আকসা মসজিদে প্রবেশে বাধা দিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে ঈদের দিনে মসজিদুল আকসা বন্ধ রাখার ফলে শত শত মুসল্লিকে মসজিদের ফটক ও আশপাশের সড়কে নামাজ আদায় করতে হয়েছে। ইসরাইলের এই নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রায় ছয় দশকের মধ্যে এই প্রথম ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে অবস্থিত মুসলিমদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়নি।

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৬৭ সালের পর এই প্রথম ঈদুল ফিতরের দিনে আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখা হয়। ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ মসজিদ চত্বরটি বন্ধ রাখায় ফিলিস্তিনিদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পবিত্র ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য মুসল্লিরা বন্ধ করে দেওয়া ওই স্থাপনার যতটা সম্ভব কাছে এসে জড়ো হন।

ইসরাইলের এই নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে আল-আকসার খতিব ও জেরুজালেমের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি শেখ ইকরিমা সাবরি একটি ধর্মীয় নির্দেশনা জারি করেন। তিনি মুসলিমদের মসজিদের নিকটতম স্থানে ঈদের নামাজ আদায়ের আহ্বান জানান। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুসল্লিরা শুক্রবার নামাজ পড়তে আসলে তাদের বাধা দিতে টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করা হয় এবং তাদের ছত্রভঙ্গ করতে অভিযান চালানো হয়।

ইরানের সঙ্গে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এর আগে থেকেই আল-আকসা মসজিদে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করেছিল ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই শুক্রবার এই ঘটনা ঘটে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান ও রাশিয়ার তেল রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের ছাড় আর বাড়বে না

ছয় দশকের মধ্যে এই প্রথম ঈদে আল-আকসায় নামাজ আদায় থেকে ফিলিস্তিনিরা বঞ্চিত

আপডেট সময় : ১০:১৯:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের জন্য ফিলিস্তিনিদের আল-আকসা মসজিদে প্রবেশে বাধা দিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে ঈদের দিনে মসজিদুল আকসা বন্ধ রাখার ফলে শত শত মুসল্লিকে মসজিদের ফটক ও আশপাশের সড়কে নামাজ আদায় করতে হয়েছে। ইসরাইলের এই নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রায় ছয় দশকের মধ্যে এই প্রথম ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে অবস্থিত মুসলিমদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়নি।

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৬৭ সালের পর এই প্রথম ঈদুল ফিতরের দিনে আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখা হয়। ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ মসজিদ চত্বরটি বন্ধ রাখায় ফিলিস্তিনিদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পবিত্র ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য মুসল্লিরা বন্ধ করে দেওয়া ওই স্থাপনার যতটা সম্ভব কাছে এসে জড়ো হন।

ইসরাইলের এই নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে আল-আকসার খতিব ও জেরুজালেমের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি শেখ ইকরিমা সাবরি একটি ধর্মীয় নির্দেশনা জারি করেন। তিনি মুসলিমদের মসজিদের নিকটতম স্থানে ঈদের নামাজ আদায়ের আহ্বান জানান। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুসল্লিরা শুক্রবার নামাজ পড়তে আসলে তাদের বাধা দিতে টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করা হয় এবং তাদের ছত্রভঙ্গ করতে অভিযান চালানো হয়।

ইরানের সঙ্গে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এর আগে থেকেই আল-আকসা মসজিদে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করেছিল ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই শুক্রবার এই ঘটনা ঘটে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।