ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে ইরানি ড্রোনের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষায় সহায়তা করার জন্য ২০০ জনেরও বেশি বিশেষজ্ঞ পাঠানো হবে। রাশিয়া ২০২২ সালে ইউক্রেইনের ওপর যে ‘শাহেদ’ ড্রোন ব্যবহার করেছিল, ইরানও একই ধরনের ড্রোন উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ব্যবহার করছে। ইউক্রেইন এসব ড্রোন ভূপাতিত করার ক্ষেত্রে প্রায় ৯০ শতাংশ সফলতা অর্জন করেছে এবং এখন তারা এই অভিজ্ঞতা সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, সৌদি আরব ও কুয়েতের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছে।
বিশ্লেষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য ইরানি ড্রোন একটি বড় হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে। কারণ, এই দেশগুলো মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় উচ্চ-উচ্চতার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উপর বেশি জোর দিয়েছে, কিন্তু নিম্ন-উচ্চতায় উড়ে আসা হুমকিকে উপেক্ষা করেছে। এছাড়া, ব্যয়ের দিক থেকেও একটি বড় পার্থক্য রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থার প্রতিবার ব্যবহারে যেখানে প্রায় ১ কোটি ডলার খরচ হয়, সেখানে ইউক্রেইনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে প্রায় তিন হাজার ডলার খরচে একটি শাহেদ ড্রোন ধ্বংস করা সম্ভব, যার বাজারমূল্য প্রায় ৫০ হাজার ডলার।
রিপোর্টারের নাম 





















