ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ইরান-ইসরাইল উত্তেজনার আবহে উপসাগরীয় দেশগুলোতে ঈদগাহে জামাত নিষিদ্ধ

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের জেরে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় উপসাগরীয় দেশগুলো পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ খোলা মাঠে আদায় না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কর্তৃপক্ষ মসজিদগুলোর ভেতরেই ঈদের জামাত আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছে।

আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যেন তারা রমজান শেষে প্রচলিত ঈদগাহ বা খোলা ময়দানে জনসমাগম না করে। সাধারণত এই স্থানগুলোতে প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য একত্রিত হন।

সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলমান সংঘাত এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মাথায় রেখে জনসমাগমের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এই পদক্ষেপটিকে তারা একটি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে অভিহিত করেছেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশগুলোর সাধারণ মুসল্লিরা কিছুটা হলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, তবে কর্তৃপক্ষের মতে এটি জননিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘গোপন রাজনীতি ছেড়ে শিবিরকে প্রকাশ্যে আসা উচিত’: ডাকসু সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা

ইরান-ইসরাইল উত্তেজনার আবহে উপসাগরীয় দেশগুলোতে ঈদগাহে জামাত নিষিদ্ধ

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের জেরে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় উপসাগরীয় দেশগুলো পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ খোলা মাঠে আদায় না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কর্তৃপক্ষ মসজিদগুলোর ভেতরেই ঈদের জামাত আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছে।

আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যেন তারা রমজান শেষে প্রচলিত ঈদগাহ বা খোলা ময়দানে জনসমাগম না করে। সাধারণত এই স্থানগুলোতে প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য একত্রিত হন।

সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলমান সংঘাত এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মাথায় রেখে জনসমাগমের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এই পদক্ষেপটিকে তারা একটি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে অভিহিত করেছেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশগুলোর সাধারণ মুসল্লিরা কিছুটা হলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, তবে কর্তৃপক্ষের মতে এটি জননিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য।