ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের থাবা: ৫৭ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণের বোঝা

একসময়ের লাভজনক ইসলামী ব্যাংক বর্তমানে এস আলম গ্রুপের জালিয়াতি ও অনিয়মের কারণে গভীর সংকটে নিমজ্জিত। ২০১৭ সালে ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে নামে-বেনামে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ বের করে নেওয়া হয়েছে। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকটির মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯২ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে ৫৭ হাজার ১৭৫ কোটি টাকাই এস আলম গ্রুপ ও তাদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের। এটি ব্যাংকটির মোট খেলাপি ঋণের প্রায় ৬২ শতাংশ।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, এস আলম গ্রুপ ও তাদের আত্মীয়দের বিভিন্ন ভুয়া প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে প্রায় এক লাখ পাঁচ হাজার কোটি টাকা সরানোর তথ্য পাওয়া গেছে। বিগত সরকারের আমলে এসব ঋণকে নিয়মিত দেখানোর সুযোগ থাকলেও বর্তমানে তা খেলাপি হিসেবে গণ্য হচ্ছে। তবে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও বিচারের প্রক্রিয়া নিয়ে জনমনে সংশয় রয়ে গেছে। ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে এই জালিয়াতির প্রকৃত হোতাদের বিচারের আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান সংশ্লিষ্ট ৩৪ কোটি ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র

ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের থাবা: ৫৭ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণের বোঝা

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

একসময়ের লাভজনক ইসলামী ব্যাংক বর্তমানে এস আলম গ্রুপের জালিয়াতি ও অনিয়মের কারণে গভীর সংকটে নিমজ্জিত। ২০১৭ সালে ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে নামে-বেনামে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ বের করে নেওয়া হয়েছে। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকটির মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯২ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে ৫৭ হাজার ১৭৫ কোটি টাকাই এস আলম গ্রুপ ও তাদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের। এটি ব্যাংকটির মোট খেলাপি ঋণের প্রায় ৬২ শতাংশ।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, এস আলম গ্রুপ ও তাদের আত্মীয়দের বিভিন্ন ভুয়া প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে প্রায় এক লাখ পাঁচ হাজার কোটি টাকা সরানোর তথ্য পাওয়া গেছে। বিগত সরকারের আমলে এসব ঋণকে নিয়মিত দেখানোর সুযোগ থাকলেও বর্তমানে তা খেলাপি হিসেবে গণ্য হচ্ছে। তবে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও বিচারের প্রক্রিয়া নিয়ে জনমনে সংশয় রয়ে গেছে। ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে এই জালিয়াতির প্রকৃত হোতাদের বিচারের আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।