হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী নববর্ষ উৎসব নওরোজকে ঘিরে প্রতি বছর ইরানের বাজারগুলো সাধারণত উৎসবের আমেজে মুখরিত থাকে। নতুন পোশাক, নানা ধরনের মিষ্টি ও খাবার কেনাকাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন মানুষজন। বসন্তের প্রথম দিনকে স্বাগত জানানো এই উৎসবটি ইরানসহ বিশ্বজুড়ে পারস্য সংস্কৃতির মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং অনিশ্চয়তার কারণে এবার এই উৎসবের আমেজ কিছুটা ভিন্ন।
যদিও বাজার খোলা রয়েছে, তবুও মানুষের মধ্যে স্বাভাবিক উৎসবের আমেজ অনুপস্থিত। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় রাজধানী তেহরান সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেকেই সেখানে ফিরতে ভয় পাচ্ছেন। তেহরানের উত্তর-পূর্বে দামাভান্দ এলাকার পঞ্চাশোর্ধ নারী মিনা বলেন, ‘আমরা এই সময়ে ঘর পরিষ্কার করা, নতুন জামাকাপড়, মিষ্টি ও নাস্তা কেনার প্রস্তুতি নিতে ব্যস্ত থাকতাম। কিন্তু এ বছর প্রত্যেকটা দিন অনেক দীর্ঘ মনে হচ্ছে, যেন আমি সময়ের হিসাব হারিয়ে ফেলেছি।’
নওরোজ, যার অর্থ ‘নতুন দিন’, হলো একটি ঐতিহ্যবাহী উৎসব যা ইরান এবং অন্যান্য দেশে নতুন বছরের সূচনাকে চিহ্নিত করে। ইরানের এই উৎসবটির ইতিহাস ৩,০০০ বছরেরও বেশি পুরোনো, যা এটিকে বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন উৎসবে পরিণত করেছে। যুদ্ধের আশঙ্কা ও অনিশ্চয়তার কারণে এবারের নওরোজ প্রস্তুতিতে আনন্দের চেয়ে উদ্বেগই বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে। তবুও, ঐতিহ্য ধরে রাখতে সীমিত পরিসরে উৎসবের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন ইরানিরা।
রিপোর্টারের নাম 






















