ঢাকা ০৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত কক্সবাজার: জেনে নিন দর্শনীয় স্থানগুলো

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৪:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

দেশের পর্যটন রাজধানী হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নতুন সাজে সেজেছে। প্রতি বছর প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লাখ দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখরিত হওয়া এই সৈকত শহরে এবারের ছুটিতে ১০ লাখেরও বেশি মানুষের সমাগম ঘটবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পর্যটকদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিতে শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে বর্তমানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ও সংস্কার কাজ চলছে।

কক্সবাজারের প্রধান আকর্ষণ হলো বিশ্বের দীর্ঘতম ১২০ কিলোমিটার বিস্তৃত বালুকাময় সমুদ্র সৈকত। নীল জলরাশির গর্জন আর বিশাল ঢেউয়ের টানে সারাবছরই এখানে পর্যটকদের ভিড় থাকে। তবে শুধু সমুদ্র নয়, পর্যটকদের মুগ্ধ করতে এখানে রয়েছে পাহাড় ও সমুদ্রের মেলবন্ধনে তৈরি হওয়া দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ সড়ক। খোলা জিপে এই পথে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা পর্যটকদের কাছে অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।

শহরের মূল সৈকত ছাড়াও হিমছড়ি, ইনানি, সোনাদিয়া ও টেকনাফের সমুদ্র সৈকতগুলো পর্যটকদের প্রিয় তালিকায় শীর্ষে থাকে। এছাড়া মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির, কুতুবদিয়ার বাতিঘর, চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক এবং রামুর ঐতিহাসিক বৌদ্ধবিহারগুলো ভ্রমণের আনন্দকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। টেকনাফের মাথিনের কূপের মতো ঐতিহাসিক স্থানগুলোও পর্যটকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত কক্সবাজার: জেনে নিন দর্শনীয় স্থানগুলো

আপডেট সময় : ০৮:০৪:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

দেশের পর্যটন রাজধানী হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নতুন সাজে সেজেছে। প্রতি বছর প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লাখ দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখরিত হওয়া এই সৈকত শহরে এবারের ছুটিতে ১০ লাখেরও বেশি মানুষের সমাগম ঘটবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পর্যটকদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিতে শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে বর্তমানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ও সংস্কার কাজ চলছে।

কক্সবাজারের প্রধান আকর্ষণ হলো বিশ্বের দীর্ঘতম ১২০ কিলোমিটার বিস্তৃত বালুকাময় সমুদ্র সৈকত। নীল জলরাশির গর্জন আর বিশাল ঢেউয়ের টানে সারাবছরই এখানে পর্যটকদের ভিড় থাকে। তবে শুধু সমুদ্র নয়, পর্যটকদের মুগ্ধ করতে এখানে রয়েছে পাহাড় ও সমুদ্রের মেলবন্ধনে তৈরি হওয়া দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ সড়ক। খোলা জিপে এই পথে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা পর্যটকদের কাছে অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।

শহরের মূল সৈকত ছাড়াও হিমছড়ি, ইনানি, সোনাদিয়া ও টেকনাফের সমুদ্র সৈকতগুলো পর্যটকদের প্রিয় তালিকায় শীর্ষে থাকে। এছাড়া মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির, কুতুবদিয়ার বাতিঘর, চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক এবং রামুর ঐতিহাসিক বৌদ্ধবিহারগুলো ভ্রমণের আনন্দকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। টেকনাফের মাথিনের কূপের মতো ঐতিহাসিক স্থানগুলোও পর্যটকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে বিবেচিত হয়।