ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

বিশ্ববাজারে তেলের দামে অস্থিরতা, ব্যারেলপ্রতি ছাড়াল ১১৫ ডলার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০১:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সাম্প্রতিক সংঘাতের জেরে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা গত এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধার আশঙ্কায় বাজার বিশ্লেষকরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে জ্বালানি তেলের দাম ২০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ওমান ও দুবাই ক্রুডের মতো মধ্যপ্রাচ্যের তেলের দাম ইতিমধ্যে ১৫০ ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তেলের বাজার কতটা স্থিতিশীল হবে, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর। সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে এর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারিবারিক গল্পের নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘রক্তের বন্ধন’ আসছে ইউটিউবে

বিশ্ববাজারে তেলের দামে অস্থিরতা, ব্যারেলপ্রতি ছাড়াল ১১৫ ডলার

আপডেট সময় : ০৮:০১:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সাম্প্রতিক সংঘাতের জেরে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা গত এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধার আশঙ্কায় বাজার বিশ্লেষকরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে জ্বালানি তেলের দাম ২০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ওমান ও দুবাই ক্রুডের মতো মধ্যপ্রাচ্যের তেলের দাম ইতিমধ্যে ১৫০ ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তেলের বাজার কতটা স্থিতিশীল হবে, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর। সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে এর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।