ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

নিরাপত্তার অজুহাতে দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত গ্রামগুলো দখলের ছক কষছে ইসরাইল

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৫:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

ইসরাইল তাদের উত্তর সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অজুহাতে দক্ষিণ লেবাননের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে ইসরাইলি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে। মূলত হিজবুল্লাহর রকেট ও ট্যাংকবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিরোধ করতেই এই কৌশলগত অবস্থান নিতে চায় তেল আবিব।

ইসরাইলের চ্যানেল-১২ জানিয়েছে, সামরিক বাহিনীকে এমন সব এলাকা দখলের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে যেখান থেকে ইসরাইলি ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালানো হচ্ছে। এই দখলদারিত্ব কতদিন স্থায়ী হবে তা নির্দিষ্ট করা না হলেও, একে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দরকষাকষির একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায় ইসরাইলি নিরাপত্তা সূত্রগুলো। তাদের দাবি, হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা ছাড়া লেবানন সরকারের সামনে আর কোনো কার্যকর পথ খোলা নেই।

এদিকে, গত নভেম্বর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও লেবানন সীমান্তে সংঘাত বেড়েই চলেছে। ইসরাইলি বিমান হামলায় গত কয়েক দিনে প্রায় এক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও তার মিত্রদের ওপর মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ সামরিক অভিযানের পর। এর জবাবে ইরানও ইসরাইলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যার ফলে পুরো অঞ্চল এখন যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারিবারিক গল্পের নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘রক্তের বন্ধন’ আসছে ইউটিউবে

নিরাপত্তার অজুহাতে দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত গ্রামগুলো দখলের ছক কষছে ইসরাইল

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

ইসরাইল তাদের উত্তর সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অজুহাতে দক্ষিণ লেবাননের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে ইসরাইলি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে। মূলত হিজবুল্লাহর রকেট ও ট্যাংকবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিরোধ করতেই এই কৌশলগত অবস্থান নিতে চায় তেল আবিব।

ইসরাইলের চ্যানেল-১২ জানিয়েছে, সামরিক বাহিনীকে এমন সব এলাকা দখলের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে যেখান থেকে ইসরাইলি ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালানো হচ্ছে। এই দখলদারিত্ব কতদিন স্থায়ী হবে তা নির্দিষ্ট করা না হলেও, একে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দরকষাকষির একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায় ইসরাইলি নিরাপত্তা সূত্রগুলো। তাদের দাবি, হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা ছাড়া লেবানন সরকারের সামনে আর কোনো কার্যকর পথ খোলা নেই।

এদিকে, গত নভেম্বর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও লেবানন সীমান্তে সংঘাত বেড়েই চলেছে। ইসরাইলি বিমান হামলায় গত কয়েক দিনে প্রায় এক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও তার মিত্রদের ওপর মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ সামরিক অভিযানের পর। এর জবাবে ইরানও ইসরাইলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যার ফলে পুরো অঞ্চল এখন যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।