মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬

সরিষাবাড়ীতে কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পে হরিলুট: উন্নয়নের টাকা পকেটে ভরার অভিযোগ

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সংস্কার কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত অর্থ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) ও কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) প্রকল্পের কাজ মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন না করে কেবল কাগজে-কলমে দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের খবর পাওয়া গেছে। এতে গ্রামীণ উন্নয়ন যেমন থমকে গেছে, তেমনি কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত হয়েছেন স্থানীয় দরিদ্র শ্রমজীবীরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম পর্যায়ে এই উপজেলায় ২ কোটি ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার তদারকিতে কাজ হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে চিত্র ভিন্ন। অভিযোগ উঠেছে, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শওকত জামিল একাই বরাদ্দের ৩৫ শতাংশ টাকা কেটে নিচ্ছেন। এছাড়া রাজনৈতিক প্রভাব ও অন্যান্য খরচ দেখিয়ে আরও ৫ শতাংশ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে প্রকল্পের মোট বরাদ্দের প্রায় ৪০ শতাংশই চলে যাচ্ছে অসাধু চক্রের পকেটে।

ইউনিয়ন পরিষদের বেশ কয়েকজন সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, বরাদ্দের বড় অংশ আগেই কেটে রাখায় মানসম্মত কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। ভাটারা, কামারবাদ ও মহাদান ইউনিয়নের বিভিন্ন রাস্তা মেরামত ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার কাজে বরাদ্দ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে নামমাত্র কাজ করে পুরো টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। উন্নয়ন বঞ্চিত স্থানীয় বাসিন্দারা এখন এই দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রতিকার দাবি করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এফবিসিসিআইয়ের নতুন প্রশাসক হিসেবে ফজলুল হকের দায়িত্ব গ্রহণ: বেসরকারি খাতের নেতৃত্বে নতুন দিগন্ত

সরিষাবাড়ীতে কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পে হরিলুট: উন্নয়নের টাকা পকেটে ভরার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:৩২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সংস্কার কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত অর্থ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) ও কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) প্রকল্পের কাজ মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন না করে কেবল কাগজে-কলমে দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের খবর পাওয়া গেছে। এতে গ্রামীণ উন্নয়ন যেমন থমকে গেছে, তেমনি কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত হয়েছেন স্থানীয় দরিদ্র শ্রমজীবীরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম পর্যায়ে এই উপজেলায় ২ কোটি ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার তদারকিতে কাজ হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে চিত্র ভিন্ন। অভিযোগ উঠেছে, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শওকত জামিল একাই বরাদ্দের ৩৫ শতাংশ টাকা কেটে নিচ্ছেন। এছাড়া রাজনৈতিক প্রভাব ও অন্যান্য খরচ দেখিয়ে আরও ৫ শতাংশ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে প্রকল্পের মোট বরাদ্দের প্রায় ৪০ শতাংশই চলে যাচ্ছে অসাধু চক্রের পকেটে।

ইউনিয়ন পরিষদের বেশ কয়েকজন সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, বরাদ্দের বড় অংশ আগেই কেটে রাখায় মানসম্মত কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। ভাটারা, কামারবাদ ও মহাদান ইউনিয়নের বিভিন্ন রাস্তা মেরামত ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার কাজে বরাদ্দ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে নামমাত্র কাজ করে পুরো টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। উন্নয়ন বঞ্চিত স্থানীয় বাসিন্দারা এখন এই দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রতিকার দাবি করছেন।