ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে নিহতের সংখ্যা ২২০০ ছাড়িয়েছে: আল জাজিরা

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান সংঘাতে নিহতের সংখ্যা ২ হাজার ২০০ ছাড়িয়ে গেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে হামলা শুরুর পর বিভিন্ন দেশ থেকে হতাহতের এই তথ্য সামনে এসেছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

সংঘর্ষের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ইরানে সবচেয়ে বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যার সংখ্যা ১ হাজার ৪৪৪ জন। এছাড়া লেবাননে নিহত হয়েছেন ৭৭৩ জন। অন্যদিকে ইসরায়েলে প্রাণহানির সংখ্যা ১৪ জন।

উপসাগরীয় কয়েকটি দেশেও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৬ জন, বাহরাইনে ২ জন, সৌদি আরবে ২ জন, কুয়েতে ৬ জন এবং ওমানে ৩ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও, অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর ১১ জন সদস্য ও ইরাকে ২৬ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর ঘোষণা দেয়, যার প্রভাব উপসাগরীয় অঞ্চলের অনেক দেশে বিস্তার লাভ করে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার স্বাস্থ্য নিয়ে তেহরান-ওয়াশিংটন পাল্টাপাল্টি

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে নিহতের সংখ্যা ২২০০ ছাড়িয়েছে: আল জাজিরা

আপডেট সময় : ০২:২২:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান সংঘাতে নিহতের সংখ্যা ২ হাজার ২০০ ছাড়িয়ে গেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে হামলা শুরুর পর বিভিন্ন দেশ থেকে হতাহতের এই তথ্য সামনে এসেছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

সংঘর্ষের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ইরানে সবচেয়ে বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যার সংখ্যা ১ হাজার ৪৪৪ জন। এছাড়া লেবাননে নিহত হয়েছেন ৭৭৩ জন। অন্যদিকে ইসরায়েলে প্রাণহানির সংখ্যা ১৪ জন।

উপসাগরীয় কয়েকটি দেশেও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৬ জন, বাহরাইনে ২ জন, সৌদি আরবে ২ জন, কুয়েতে ৬ জন এবং ওমানে ৩ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও, অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর ১১ জন সদস্য ও ইরাকে ২৬ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর ঘোষণা দেয়, যার প্রভাব উপসাগরীয় অঞ্চলের অনেক দেশে বিস্তার লাভ করে।