ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

না ফেরার দেশে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত অ্যাথলেট ও ক্রীড়া সংগঠক শামীমা সাত্তার মিমো

দেশের ক্রীড়াঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত সাবেক অ্যাথলেট ও দক্ষ সংগঠক শামীমা সাত্তার মিমো আর নেই। শুক্রবার রাতে রাজধানীর নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার প্রয়াণে দেশের অ্যাথলেটিকস অঙ্গনসহ পুরো ক্রীড়া পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শামীমা সাত্তার মিমো ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশের অ্যাথলেটিকসে হাইজাম্প ইভেন্টে তিনি দীর্ঘকাল আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন। খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানার পর তিনি কোচ, জাজ এবং সংগঠক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) উপপরিচালক (প্রশিক্ষণ) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি অসংখ্য প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ তৈরিতে নেপথ্য কারিগর হিসেবে কাজ করেছেন। ক্রীড়াক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০০ সালে তাকে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

দীর্ঘদিন ধরেই তিনি হৃদরোগ ও ভার্টিগোসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও ক্রীড়াঙ্গনের প্রতি তার টান ছিল অটুট। বিকেএসপির দিনাজপুর আঞ্চলিক কেন্দ্র গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তার বিশেষ অবদান রয়েছে। কর্মজীবন শেষেও তিনি অ্যাথলেটিকস ও আর্চারি ফেডারেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং দীর্ঘদিন জাজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মরহুমার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তার মরদেহ দিনাজপুর নেওয়া হচ্ছে। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের পাশেই তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে। তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে বিকেএসপি, অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন ও আর্চারি ফেডারেশনসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

না ফেরার দেশে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত অ্যাথলেট ও ক্রীড়া সংগঠক শামীমা সাত্তার মিমো

আপডেট সময় : ১১:২০:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

দেশের ক্রীড়াঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত সাবেক অ্যাথলেট ও দক্ষ সংগঠক শামীমা সাত্তার মিমো আর নেই। শুক্রবার রাতে রাজধানীর নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার প্রয়াণে দেশের অ্যাথলেটিকস অঙ্গনসহ পুরো ক্রীড়া পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শামীমা সাত্তার মিমো ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশের অ্যাথলেটিকসে হাইজাম্প ইভেন্টে তিনি দীর্ঘকাল আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন। খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানার পর তিনি কোচ, জাজ এবং সংগঠক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) উপপরিচালক (প্রশিক্ষণ) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি অসংখ্য প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ তৈরিতে নেপথ্য কারিগর হিসেবে কাজ করেছেন। ক্রীড়াক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০০ সালে তাকে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

দীর্ঘদিন ধরেই তিনি হৃদরোগ ও ভার্টিগোসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও ক্রীড়াঙ্গনের প্রতি তার টান ছিল অটুট। বিকেএসপির দিনাজপুর আঞ্চলিক কেন্দ্র গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তার বিশেষ অবদান রয়েছে। কর্মজীবন শেষেও তিনি অ্যাথলেটিকস ও আর্চারি ফেডারেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং দীর্ঘদিন জাজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মরহুমার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তার মরদেহ দিনাজপুর নেওয়া হচ্ছে। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের পাশেই তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে। তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে বিকেএসপি, অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন ও আর্চারি ফেডারেশনসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছে।