দেশের ক্রীড়াঙ্গনে পেশাদারিত্বের প্রসার ঘটাতে এবং খেলোয়াড়দের আর্থ-সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় প্রাথমিক পর্যায়ে জাতীয় পর্যায়ের ৫০০ জন অ্যাথলেটকে স্থায়ী বেতন কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বৃহস্পতিবার পল্লবীতে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ইফতার মাহফিলে এই আশার বাণী শুনিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি ফুটবল, ক্রিকেট এবং প্যারা অলিম্পিকের মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইভেন্টে যারা দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন, তাদের প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সম্মাননা প্রদান করবেন। তিনি আরও জানান, খেলাধুলাকে একটি পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যের অংশ হিসেবে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদের একটি তালিকা তৈরি করে তাদের বেতন কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আগামী ২৯ মার্চ যে ১৬৪ জন খেলোয়াড়কে সংবর্ধনা দেওয়া হবে, তাদের মাধ্যমেই এই বেতন প্রক্রিয়ার সূচনা হবে। এই উদ্যোগ তৃণমূল পর্যায়ে অভিভাবকদের তাদের সন্তানদের খেলাধুলাকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিতে উৎসাহিত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এছাড়াও, তৃণমূল পর্যায় থেকে নতুন ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করার জন্য ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ নামে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। আগামী ৩০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী ঢাকার বাইরে একটি জেলা থেকে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এই প্রকল্পের আওতায় ইউনিয়ন পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত অনূর্ধ্ব ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের ফুটবল, ক্রিকেটসহ মোট সাতটি ইভেন্টে বাছাই করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পেতে খেলোয়াড়দের আর আবেদন করতে হবে না; যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের একটি কমিটি সেরা খেলোয়াড়দের বাছাই করে পুরস্কৃত করবে। দেশের ক্রীড়াঙ্গনের কাঠামোকে শক্তিশালী করতে এবং খেলোয়াড়দের সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগগুলো মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রিপোর্টারের নাম 

























