ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ৬৮টি আসন নিয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের মাধ্যমে বিরোধী দল হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এই ঐক্যের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি আসন নিয়ে সংসদীয় রাজনীতিতে তৃতীয় বৃহৎ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। জোটবদ্ধ নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় সংসদে এবং রাজপথে ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক সম্পর্কে বেশ এগিয়ে চলেছে দল দুটি।
তবে তাদের এই মৈত্রীর ভবিষ্যৎ কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে বেশ কৌতূহল রয়েছে। কারো কারো মতে, জামায়াত-এনসিপির বন্ধনে ফাটল ধরাতে ভেতর-বাইরে নানা তৎপরতা চলছে। বিশেষ করে বিএনপির একটি মহল থেকে এনসিপিকে কাছে টানার চেষ্টা চলছে বলে গুঞ্জন রয়েছে। আবার অনেকের মতে, ধীরে ধীরে দল দুটির ঐক্য আরো মজবুত ও স্থায়ীত্বে রূপ নিতে যাচ্ছে। এনসিপি প্রধানকে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ পদ দেওয়া, সংরক্ষিত নারী আসনে একটি আসন বেশি প্রদানসহ তাদের নানাভাবে গুরুত্ব দেওয়ার মাধ্যমে জামায়াত তাদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করছে।
বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দলীয় ও রাজনৈতিক স্বার্থের হিসাবনিকাশের পাশাপাশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মহলের তৎপরতার ওপর অনেকটা নির্ভর করছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ইতোমধ্যে সাবেক বিএনপি নেতাসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে আলোচিত ব্যক্তিদের এনসিপিতে যোগদানের মধ্য দিয়ে এককভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠছে দলটি। আরো অনেকের যোগদানের সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে মাঠপর্যায়ে জামায়াত-এনসিপিতে জটিলতা দেখা দিতে পারে।
জামায়াত-এনসিপি মৈত্রীর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানতে চাইলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘এনসিপির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের মাধ্যমে। বর্তমানে সেটা সংসদে বিরোধীদলের শরিক হিসেবে বিস্তৃতি লাভ করেছে। আমাদের সঙ্গে তাদের জোটগত সম্পর্ক আগের চেয়ে আরো মজবুত হচ্ছে।’ একই ধরনের মন্তব্য করে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ এমপি বলেন, ‘এনসিপি মধ্যমধারার স্বতন্ত্র রাজনৈতিক দল হিসেবে দ্রুত ডেভেলপ করতে চায়। এজন্য আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। তবে জামায়াতে…
রিপোর্টারের নাম 






















