ঢাকা ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ইসরাইলের হামলার আশঙ্কায় দক্ষিণ লেবানন ছাড়ছেন হাজার হাজার মানুষ

দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের নতুন করে হামলার আশঙ্কার পরিপ্রেক্ষিতে হাজার হাজার মানুষ আবারও তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছেন। যুদ্ধবিরতির সুযোগে যারা নিজেদের বাড়িতে ফিরে গিয়েছিলেন, তারা এখন নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্রমতে, সংঘাতের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া লাখ লাখ মানুষের মধ্যে অনেকেই যুদ্ধবিরতির পর তাদের ঘরে ফিরে এসেছিলেন। কেউ কেউ তাদের বাড়ির ক্ষয়ক্ষতি দেখতে, আবার কেউ মেরামতের চেষ্টা করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু অনেকেই ফিরে গিয়ে দেখেন যে তাদের ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

একটি গ্রামের স্থানীয় কমিউনিটি নেতা জানান, প্রায় ৭৫ শতাংশ বাসিন্দা এলাকায় ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু নতুন করে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশের পর তারা আবারও এলাকা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন।

এলাকা ছাড়ার সময় সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়, যা যুদ্ধের শুরুর দিকের পরিস্থিতির কথা মনে করিয়ে দেয়। স্থানীয়রা দ্রুত প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে গাড়িতে করে বের হওয়ার চেষ্টা করলেও প্রধান সড়কের একটি গোলচত্বরে গিয়ে আটকে পড়েন।

এই সময় ওই গোলচত্বরে থাকা একটি কফির দোকানে ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এতে অন্তত একজন নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন আরাগচি: ইরানের ঝটিকা কূটনৈতিক তৎপরতা

ইসরাইলের হামলার আশঙ্কায় দক্ষিণ লেবানন ছাড়ছেন হাজার হাজার মানুষ

আপডেট সময় : ০৮:৫৭:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের নতুন করে হামলার আশঙ্কার পরিপ্রেক্ষিতে হাজার হাজার মানুষ আবারও তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছেন। যুদ্ধবিরতির সুযোগে যারা নিজেদের বাড়িতে ফিরে গিয়েছিলেন, তারা এখন নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্রমতে, সংঘাতের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া লাখ লাখ মানুষের মধ্যে অনেকেই যুদ্ধবিরতির পর তাদের ঘরে ফিরে এসেছিলেন। কেউ কেউ তাদের বাড়ির ক্ষয়ক্ষতি দেখতে, আবার কেউ মেরামতের চেষ্টা করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু অনেকেই ফিরে গিয়ে দেখেন যে তাদের ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

একটি গ্রামের স্থানীয় কমিউনিটি নেতা জানান, প্রায় ৭৫ শতাংশ বাসিন্দা এলাকায় ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু নতুন করে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশের পর তারা আবারও এলাকা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন।

এলাকা ছাড়ার সময় সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়, যা যুদ্ধের শুরুর দিকের পরিস্থিতির কথা মনে করিয়ে দেয়। স্থানীয়রা দ্রুত প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে গাড়িতে করে বের হওয়ার চেষ্টা করলেও প্রধান সড়কের একটি গোলচত্বরে গিয়ে আটকে পড়েন।

এই সময় ওই গোলচত্বরে থাকা একটি কফির দোকানে ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এতে অন্তত একজন নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।