ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

ইরানের বিপ্লবী গার্ডের ব্যাপক হামলা: শত্রুর পূর্ণ আত্মসমর্পণের ঘোষণা

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) তাদের চলমান সামরিক অভিযানের ৩৮তম ধাপ শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়েছে, তারা শত্রুপক্ষের পূর্ণ আত্মসমর্পণের পরই এই লড়াই শেষ করবে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কুয়েতের আদিরি (বর্তমানে বিউরিং নামে পরিচিত) হেলিকপ্টার ঘাঁটিতে দুটি শক্তিশালী ও যুগপৎ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এতে শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন, যাদের কুয়েতের আল জাবের ও আল মুবারাক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই ঘাঁটিটি কুয়েতের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত।

এছাড়াও, আইআরজিসি বাহরাইনের ‘মিনা সালমান বন্দরে অবস্থিত আমেরিকান ঘাঁটিতে’ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে। তাদের দাবি, কুয়েতের দুটি নৌঘাঁটি ‘মোহাম্মদ আল আহমদ’ ও ‘আলী আল সালেম’ এ অবস্থিত ক্যাম্প প্যাট্রিয়ট এবং মার্কিন সেনাদের আবাসন ও সরঞ্জাম রাখার গুদামগুলোতেও ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছে।

বিবৃতিতে আইআরজিসি আরও উল্লেখ করেছে, “আমরা কেবল শত্রুর সম্পূর্ণ পরাজয় শিকারের কথা ভাবছি। আমরা তখনই এই লড়াই শেষ করব যখন দেশ থেকে যুদ্ধের ছায়া অপসারিত হবে।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, একজনের মৃত্যু; ৮৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ইরানের বিপ্লবী গার্ডের ব্যাপক হামলা: শত্রুর পূর্ণ আত্মসমর্পণের ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৯:৫১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) তাদের চলমান সামরিক অভিযানের ৩৮তম ধাপ শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়েছে, তারা শত্রুপক্ষের পূর্ণ আত্মসমর্পণের পরই এই লড়াই শেষ করবে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কুয়েতের আদিরি (বর্তমানে বিউরিং নামে পরিচিত) হেলিকপ্টার ঘাঁটিতে দুটি শক্তিশালী ও যুগপৎ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এতে শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন, যাদের কুয়েতের আল জাবের ও আল মুবারাক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই ঘাঁটিটি কুয়েতের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত।

এছাড়াও, আইআরজিসি বাহরাইনের ‘মিনা সালমান বন্দরে অবস্থিত আমেরিকান ঘাঁটিতে’ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে। তাদের দাবি, কুয়েতের দুটি নৌঘাঁটি ‘মোহাম্মদ আল আহমদ’ ও ‘আলী আল সালেম’ এ অবস্থিত ক্যাম্প প্যাট্রিয়ট এবং মার্কিন সেনাদের আবাসন ও সরঞ্জাম রাখার গুদামগুলোতেও ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছে।

বিবৃতিতে আইআরজিসি আরও উল্লেখ করেছে, “আমরা কেবল শত্রুর সম্পূর্ণ পরাজয় শিকারের কথা ভাবছি। আমরা তখনই এই লড়াই শেষ করব যখন দেশ থেকে যুদ্ধের ছায়া অপসারিত হবে।”