ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক যোগাযোগ কেন্দ্র ধ্বংসের দাবি ইরানের

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক সংঘাতে দেশটির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা ধ্বংসের দাবি করেছে ইরান। ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা তেল আবিবের দক্ষিণে অবস্থিত ইসরায়েলি বাহিনীর ‘হা’এলা স্যাটেলাইট’ যোগাযোগ কেন্দ্রটি গুড়িয়ে দিয়েছে।

আইআরজিসির জনসংযোগ দপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই কেন্দ্রটি ছিল ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোর সঙ্গে তাদের বিমানঘাঁটিগুলোর যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্সের একটি বিশেষ অভিযানে আত্মঘাতী ড্রোন ব্যবহার করে এই সামরিক স্থাপনাটি ধ্বংস করা হয়েছে। এই স্থাপনাটি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোর স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণ নেটওয়ার্কের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

ইরানের এই পদক্ষেপ এমন এক সময়ে এলো যখন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কমান্ডার এবং বেসামরিক নাগরিক হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে। এই অভিযানে ইরানের সামরিক ও বেসামরিক উভয় স্থানে ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যার ফলে প্রচুর হতাহতের পাশাপাশি অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানি সশস্ত্র বাহিনীও পাল্টা অভিযান শুরু করেছে। তারা অধিকৃত ভূখণ্ডে ইসরায়েলি অবস্থান এবং আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোতে মোতায়েন থাকা মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোণায় এমপির গাড়িতে হামলা: বিএনপি ও ছাত্রদলের তিন নেতা বহিষ্কার

ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক যোগাযোগ কেন্দ্র ধ্বংসের দাবি ইরানের

আপডেট সময় : ০৯:২৩:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক সংঘাতে দেশটির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা ধ্বংসের দাবি করেছে ইরান। ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা তেল আবিবের দক্ষিণে অবস্থিত ইসরায়েলি বাহিনীর ‘হা’এলা স্যাটেলাইট’ যোগাযোগ কেন্দ্রটি গুড়িয়ে দিয়েছে।

আইআরজিসির জনসংযোগ দপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই কেন্দ্রটি ছিল ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোর সঙ্গে তাদের বিমানঘাঁটিগুলোর যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্সের একটি বিশেষ অভিযানে আত্মঘাতী ড্রোন ব্যবহার করে এই সামরিক স্থাপনাটি ধ্বংস করা হয়েছে। এই স্থাপনাটি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোর স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণ নেটওয়ার্কের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

ইরানের এই পদক্ষেপ এমন এক সময়ে এলো যখন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কমান্ডার এবং বেসামরিক নাগরিক হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে। এই অভিযানে ইরানের সামরিক ও বেসামরিক উভয় স্থানে ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যার ফলে প্রচুর হতাহতের পাশাপাশি অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানি সশস্ত্র বাহিনীও পাল্টা অভিযান শুরু করেছে। তারা অধিকৃত ভূখণ্ডে ইসরায়েলি অবস্থান এবং আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোতে মোতায়েন থাকা মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে।