ঢাকা ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় ইরানে দূতাবাস কর্মীদের সরাচ্ছে নেদারল্যান্ডস

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে ইরান থেকে নিজেদের দূতাবাসের কর্মীদের আজারবাইজানে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেদারল্যান্ডস। ডাচ সরকার এই পদক্ষেপকে সাময়িক বলে উল্লেখ করেছে।

ডাচ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানে অবস্থিত দূতাবাসের কার্যক্রম সাময়িকভাবে আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে স্থানান্তর করা হবে। এই সিদ্ধান্তের মূল কারণ হলো তেহরানে কর্মরত ডাচ কূটনীতিক ও কর্মীদের নিরাপত্তার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়া।

একজন ডাচ কর্মকর্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমাদের কর্মীদের নিরাপত্তার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় ইরানে ডাচ দূতাবাসের কার্যক্রম অস্থায়ীভাবে আজারবাইজানের বাকুতে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

ধারণা করা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে সম্প্রতি উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থির হয়ে ওঠার কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিক ও কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে এবং কিছু ক্ষেত্রে দূতাবাস কর্মীদের সরিয়ে নিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইমামদের নেতৃত্বে ন্যায়-ইনসাফের সমাজ গড়ার আহ্বান মসজিদ মিশনের

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় ইরানে দূতাবাস কর্মীদের সরাচ্ছে নেদারল্যান্ডস

আপডেট সময় : ০৯:১৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে ইরান থেকে নিজেদের দূতাবাসের কর্মীদের আজারবাইজানে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেদারল্যান্ডস। ডাচ সরকার এই পদক্ষেপকে সাময়িক বলে উল্লেখ করেছে।

ডাচ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানে অবস্থিত দূতাবাসের কার্যক্রম সাময়িকভাবে আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে স্থানান্তর করা হবে। এই সিদ্ধান্তের মূল কারণ হলো তেহরানে কর্মরত ডাচ কূটনীতিক ও কর্মীদের নিরাপত্তার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়া।

একজন ডাচ কর্মকর্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমাদের কর্মীদের নিরাপত্তার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় ইরানে ডাচ দূতাবাসের কার্যক্রম অস্থায়ীভাবে আজারবাইজানের বাকুতে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

ধারণা করা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে সম্প্রতি উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থির হয়ে ওঠার কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিক ও কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে এবং কিছু ক্ষেত্রে দূতাবাস কর্মীদের সরিয়ে নিয়েছে।