ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

যুদ্ধবিরতির আহ্বান: চীন, রাশিয়া সহ বিভিন্ন দেশের ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ

বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে যুদ্ধবিরতির জন্য ইরান একাধিক দেশের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে বলে জানা গেছে। দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, চীন ও রাশিয়ার মতো প্রভাবশালী দেশগুলো যুদ্ধবিরতির বিষয়ে ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছে এবং তেহরানও এই উদ্যোগে শামিল হতে আগ্রহী।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইসনা নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ঘারিবাবাদি উল্লেখ করেন যে, “চীন ও রাশিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশ যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আমরা তাদের জানিয়েছি যে আমরাও যুদ্ধবিরতি চাই। তবে এর জন্য আমাদের প্রথম শর্ত হলো— আগ্রাসন স্থায়ীভাবে বন্ধ হতে হবে। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে আর কোনো হামলা চালাবে না— এমন নিশ্চয়তা দিতে হবে।”

উল্লেখ্য, ২৮শে ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসরাইল ও আমেরিকার যৌথ হামলার পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা তীব্রতর হয়েছে। এই ঘটনায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ ১,২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এই প্রেক্ষাপটে ইরান ইসরাইল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় দেশগুলিতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোণায় এমপির গাড়িতে হামলা: বিএনপি ও ছাত্রদলের তিন নেতা বহিষ্কার

যুদ্ধবিরতির আহ্বান: চীন, রাশিয়া সহ বিভিন্ন দেশের ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ

আপডেট সময় : ০৯:০৫:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে যুদ্ধবিরতির জন্য ইরান একাধিক দেশের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে বলে জানা গেছে। দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, চীন ও রাশিয়ার মতো প্রভাবশালী দেশগুলো যুদ্ধবিরতির বিষয়ে ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছে এবং তেহরানও এই উদ্যোগে শামিল হতে আগ্রহী।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইসনা নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ঘারিবাবাদি উল্লেখ করেন যে, “চীন ও রাশিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশ যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আমরা তাদের জানিয়েছি যে আমরাও যুদ্ধবিরতি চাই। তবে এর জন্য আমাদের প্রথম শর্ত হলো— আগ্রাসন স্থায়ীভাবে বন্ধ হতে হবে। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে আর কোনো হামলা চালাবে না— এমন নিশ্চয়তা দিতে হবে।”

উল্লেখ্য, ২৮শে ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসরাইল ও আমেরিকার যৌথ হামলার পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা তীব্রতর হয়েছে। এই ঘটনায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ ১,২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এই প্রেক্ষাপটে ইরান ইসরাইল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় দেশগুলিতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।