মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ইরাকের তেলক্ষেত্রগুলো থেকে নিজেদের কর্মীদের সরিয়ে নিতে শুরু করেছে মার্কিন জ্বালানি কোম্পানিগুলো। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের তেল উৎপাদন কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইরাকে কর্মরত বিদেশি কর্মীরা স্থলপথে সীমান্ত অতিক্রম করে পার্শ্ববর্তী দেশ কুয়েতে আশ্রয় নিচ্ছেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, অসংখ্য কর্মী সাফওয়ান সীমান্ত দিয়ে কুয়েতে প্রবেশ করছেন।
মার্কিন তেল জায়ান্ট হ্যালিবার্টনের একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ইরাকের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে তেল স্টেশনগুলোতে কর্মরত বিদেশি প্রকৌশলী ও শ্রমিকরা নিরাপত্তার স্বার্থে কুয়েতে চলে যাচ্ছেন। সেখান থেকেই তারা পরবর্তী গন্তব্য বা কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করবেন।
এদিকে, এইচকেএন এনার্জি নামক আরেকটি মার্কিন তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গত শুক্রবার থেকে তাদের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলার সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার পরই তারা উৎপাদন বন্ধ রাখার এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মূলত ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের মধ্যে চলমান দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের জেরে মধ্যপ্রাচ্যের তেল স্থাপনাগুলো এখন চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ওই অঞ্চলের বেশ কিছু তেলক্ষেত্র লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটায় বিদেশি বিনিয়োগকারী ও কোম্পানিগুলোর মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, যার প্রভাবে ইরাকের তেল খাতে এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























