মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও সহায়তা কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে ২৫তম দফার বড় ধরনের হামলা শুরু করেছে ইরান। এবারের অভিযানে দেশটি প্রথমবারের মতো তাদের অত্যাধুনিক হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে বলে নিশ্চিত করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত আইআরজিসির এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে জানানো হয়, মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে একযোগে ড্রোন ও শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে। অভিযানে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ‘ফাতাহ’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ‘এমাদ’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বিধ্বংসী সমরাস্ত্র। এটি শব্দের গতির চেয়ে অন্তত পাঁচ গুণ বেশি দ্রুতগতিতে (ঘণ্টায় প্রায় ৬ হাজার ১৭৪ কিলোমিটার বা ৩ হাজার ৮৩৬ মাইল) লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। অত্যন্ত উচ্চগতির কারণে এই ক্ষেপণাস্ত্র যেকোনো আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে নিখুঁতভাবে নিশানায় পৌঁছাতে পারে।
মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের এই ধারাবাহিক হামলার ঘটনায় ওই অঞ্চলে নতুন করে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই অভিযানকে ইরানের সামরিক সক্ষমতার বড় ধরনের প্রদর্শনী হিসেবে দেখছে।
রিপোর্টারের নাম 























