সংযুক্ত আরব আমিরাতে শনিবার একযোগে ১৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১২১টি ড্রোন দিয়ে বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশিরভাগ হামলা রুখে দিলেও এই ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। নিহত তিনজনের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
আমিরাতের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, শনিবারের হামলায় ১৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ১৫টিই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। অন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে সমুদ্রে পড়েছে। একই সময়ে ধেয়ে আসা ১২১টি ড্রোনের মধ্যে ১১৯টিই ভূপাতিত করতে সক্ষম হয় দেশটির সেনাবাহিনী। তবে দুটি ড্রোন আমিরাতের অভ্যন্তরে বিধ্বস্ত হয়েছে।
চলমান সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত আমিরাত অভিমুখে মোট ২২১টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০৫টি আকাশেই ধ্বংস করা হয়েছে এবং ১৪টি সমুদ্রে পড়েছে। মাত্র দুটি ক্ষেপণাস্ত্র দেশটির ভূখণ্ডে আঘাত হানতে পেরেছে। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে ১,৩০৫টি ইরানি ড্রোন শনাক্ত করার কথা জানিয়েছে আমিরাত। এর মধ্যে ১,২২৯টি ড্রোন প্রতিহত করা গেলেও ৭৬টি ড্রোন দেশটির ভেতরে পড়েছে। পাশাপাশি ৮টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তের পর সেগুলোকেও সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।
এসব হামলায় এখন পর্যন্ত তিনজনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। নিহতরা বাংলাদেশ, নেপাল ও পাকিস্তানের নাগরিক। এছাড়া বিভিন্ন দেশের অন্তত ১১২ জন সামান্য আহত হয়েছেন। আহতদের তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও আমিরাত, মিশর, ইথিওপিয়া, ফিলিপাইন, পাকিস্তান, ইরান, ভারত, শ্রীলঙ্কা, আজারবাইজান, ইয়েমেন, উগান্ডা, ইরিত্রিয়া, লেবানন, আফগানিস্তান, বাহরাইন, কোমোরোস ও তুরস্কের নাগরিকরা রয়েছেন। আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 























