মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

ভোটকেন্দ্র থেকে ক্যামেরা খুলে নেওয়ার পর সিসিটিভি ফুটেজ চাইল ইসি

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন বিতর্কমুক্ত করতে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগ নেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অস্থায়ীভাবে এই ক্যামেরা লাগানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়। চট্টগ্রামের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ১১ ফেব্রুয়ারির আগেই ক্যামেরা লাগানোর কাজ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনের তিন থেকে চার দিনের মধ্যে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান ক্যামেরাগুলো খুলেও নিয়ে গেছে। কিন্তু ১২ দিন পর বিদ্যালয়গুলোতে ১১ ফেব্রুয়ারি বিকাল থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গণনা পর্যন্ত প্রতিটি ক্যামেরার ফুটেজ পেনড্রাইভের মাধ্যমে ইসিতে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বিষয়টি নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইসি আর রিটার্নিং কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয় না থাকায় নির্বাচনের রেকর্ড সংরক্ষণ করা যায়নি।

সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে ১ হাজার ৯৬৫টি ভোটকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ১০-২৫টি পর্যন্ত সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগ নেয় ইসি। বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান অস্থায়ীভাবে এই ক্যামেরাগুলো লাগায় কেন্দ্রে কেন্দ্রে। তিন দিনের জন্য লাগানো ক্যামেরাগুলো নির্ধারিত সময়ের পর খুলে নিয়ে যায় প্রতিষ্ঠানগুলো। সে অনুযায়ী ১৪-১৬ তারিখের মধ্যে সবগুলো ক্যামেরা খুলে নেওয়া হয়। তবে যেসব বিদ্যালয়ে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগে থেকেই ক্যামেরা লাগানো ছিল, সেগুলো এখনো রয়েছে। কিন্তু ভোটের বুথ স্থাপন, গণনার কক্ষসহ অন্যান্য কাজের জন্য নির্ধারিত জায়গাগুলো ওই সব ক্যামেরার আওতায় ছিল না। আর তাই আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও অতিরিক্ত ক্যামেরা লাগানো হয় নির্বাচন কেন্দ্র করে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরে ১১ দলীয় জোটের গণমিছিল: জুলাই সনদ ও গণভোটের দাবি

ভোটকেন্দ্র থেকে ক্যামেরা খুলে নেওয়ার পর সিসিটিভি ফুটেজ চাইল ইসি

আপডেট সময় : ১২:৩৮:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন বিতর্কমুক্ত করতে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগ নেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অস্থায়ীভাবে এই ক্যামেরা লাগানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়। চট্টগ্রামের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ১১ ফেব্রুয়ারির আগেই ক্যামেরা লাগানোর কাজ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনের তিন থেকে চার দিনের মধ্যে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান ক্যামেরাগুলো খুলেও নিয়ে গেছে। কিন্তু ১২ দিন পর বিদ্যালয়গুলোতে ১১ ফেব্রুয়ারি বিকাল থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গণনা পর্যন্ত প্রতিটি ক্যামেরার ফুটেজ পেনড্রাইভের মাধ্যমে ইসিতে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বিষয়টি নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইসি আর রিটার্নিং কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয় না থাকায় নির্বাচনের রেকর্ড সংরক্ষণ করা যায়নি।

সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে ১ হাজার ৯৬৫টি ভোটকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ১০-২৫টি পর্যন্ত সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগ নেয় ইসি। বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান অস্থায়ীভাবে এই ক্যামেরাগুলো লাগায় কেন্দ্রে কেন্দ্রে। তিন দিনের জন্য লাগানো ক্যামেরাগুলো নির্ধারিত সময়ের পর খুলে নিয়ে যায় প্রতিষ্ঠানগুলো। সে অনুযায়ী ১৪-১৬ তারিখের মধ্যে সবগুলো ক্যামেরা খুলে নেওয়া হয়। তবে যেসব বিদ্যালয়ে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগে থেকেই ক্যামেরা লাগানো ছিল, সেগুলো এখনো রয়েছে। কিন্তু ভোটের বুথ স্থাপন, গণনার কক্ষসহ অন্যান্য কাজের জন্য নির্ধারিত জায়গাগুলো ওই সব ক্যামেরার আওতায় ছিল না। আর তাই আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও অতিরিক্ত ক্যামেরা লাগানো হয় নির্বাচন কেন্দ্র করে।