ঢাকা ০৬:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

খামেনির মৃত্যু ‘কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ড’, যুক্তরাষ্ট্রকে দুষলেন ঢাকার ইরানি রাষ্ট্রদূত

ঢাকার ইরানি রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী জাহানাবাদী দাবি করেছেন যে, আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যু কোনো গোয়েন্দা ব্যর্থতা ছিল না; এটি ছিল একটি কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ড। তিনি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে অভিযুক্ত করে বলেন, অতীতেও যুক্তরাষ্ট্র মুসলিম নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে ঢাকার ইরান দূতাবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন। তিনি আরও জানান, ইরান দীর্ঘ মেয়াদে এই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ড্রোন ও মিসাইলসহ প্রয়োজনীয় সামরিক শক্তি রয়েছে এবং আমরা অন্য কোনো দেশের কাছ থেকে লজিস্টিক সাপোর্টের ওপর নির্ভরশীল নই।

যুক্তরাষ্ট্রের নাম উল্লেখ না করে দেওয়া ঢাকার বিবৃতি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, ওআইসির সদস্য ও মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আগ্রাসী শক্তির সরাসরি নিন্দা ও প্রতিবাদ করবে, এটাই তেহরানের প্রত্যাশা।

রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী জাহানাবাদী আরও জানান, ইরানে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ইতোমধ্যে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এখন পর্যন্ত ৮০০ মানুষ শাহাদাত বরণ করেছেন এবং সর্বোচ্চ নেতা খামেনি শেষ পর্যন্ত তার জনগণের পাশেই ছিলেন, তিনি পালিয়ে যাননি।

কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ইরান সর্বশক্তি দিয়ে এই যুদ্ধ চালিয়ে যাবে, যতদিন না যুক্তরাষ্ট্র শান্তির পথে আসে। একইসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে মার্কিনিরা যেখানেই অবস্থান করুক, তাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তদবিরের অভিযোগ তুলে হত্যা মামলার রায় স্থগিত রাখলেন বিচারক

খামেনির মৃত্যু ‘কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ড’, যুক্তরাষ্ট্রকে দুষলেন ঢাকার ইরানি রাষ্ট্রদূত

আপডেট সময় : ০৪:৪২:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

ঢাকার ইরানি রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী জাহানাবাদী দাবি করেছেন যে, আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যু কোনো গোয়েন্দা ব্যর্থতা ছিল না; এটি ছিল একটি কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ড। তিনি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে অভিযুক্ত করে বলেন, অতীতেও যুক্তরাষ্ট্র মুসলিম নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে ঢাকার ইরান দূতাবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন। তিনি আরও জানান, ইরান দীর্ঘ মেয়াদে এই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ড্রোন ও মিসাইলসহ প্রয়োজনীয় সামরিক শক্তি রয়েছে এবং আমরা অন্য কোনো দেশের কাছ থেকে লজিস্টিক সাপোর্টের ওপর নির্ভরশীল নই।

যুক্তরাষ্ট্রের নাম উল্লেখ না করে দেওয়া ঢাকার বিবৃতি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, ওআইসির সদস্য ও মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আগ্রাসী শক্তির সরাসরি নিন্দা ও প্রতিবাদ করবে, এটাই তেহরানের প্রত্যাশা।

রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী জাহানাবাদী আরও জানান, ইরানে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ইতোমধ্যে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এখন পর্যন্ত ৮০০ মানুষ শাহাদাত বরণ করেছেন এবং সর্বোচ্চ নেতা খামেনি শেষ পর্যন্ত তার জনগণের পাশেই ছিলেন, তিনি পালিয়ে যাননি।

কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ইরান সর্বশক্তি দিয়ে এই যুদ্ধ চালিয়ে যাবে, যতদিন না যুক্তরাষ্ট্র শান্তির পথে আসে। একইসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে মার্কিনিরা যেখানেই অবস্থান করুক, তাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হবে।