ঢাকা ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ভারতের প্রধান বিরোধী দলের তীব্র নিন্দা, সরকারি নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলাকে ‘যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া পরিচালিত হত্যাকাণ্ড’ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারতের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় কংগ্রেস। শনিবার এক বিবৃতিতে দলটি এই ঘটনার আনুষ্ঠানিক বিরোধিতা করে।

কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতাকে সামরিক হামলার মাধ্যমে হত্যা আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক শিষ্টাচারের চরম লঙ্ঘন। দলটি আরও সতর্ক করে দিয়েছে যে, এই ধরনের পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও গভীর সংকটে ঠেলে দিতে পারে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করতে পারে।

তবে, এই ঘটনায় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসেনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার শনিবার মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও, খামেনির নিহত হওয়ার বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি। উল্লেখ্য, একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা পরিস্থিতিকে দ্রুত অবনতির দিকে নিয়ে যায়।

ঐতিহ্যগতভাবে ভারত ইরানের সঙ্গে উষ্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে আসছে। জ্বালানি আমদানি, আঞ্চলিক বাণিজ্য এবং চাবাহার বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত প্রকল্পে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বিদ্যমান। এই প্রেক্ষাপটে, খামেনির মৃত্যুর পর নয়াদিল্লির এই নীরবতা রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান-ইসরাইল সংঘাত: ইসরাইলের দাবি, আকাশপথে ২০০০টির বেশি বোমা বর্ষণ

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ভারতের প্রধান বিরোধী দলের তীব্র নিন্দা, সরকারি নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ

আপডেট সময় : ১০:০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলাকে ‘যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া পরিচালিত হত্যাকাণ্ড’ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারতের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় কংগ্রেস। শনিবার এক বিবৃতিতে দলটি এই ঘটনার আনুষ্ঠানিক বিরোধিতা করে।

কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতাকে সামরিক হামলার মাধ্যমে হত্যা আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক শিষ্টাচারের চরম লঙ্ঘন। দলটি আরও সতর্ক করে দিয়েছে যে, এই ধরনের পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও গভীর সংকটে ঠেলে দিতে পারে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করতে পারে।

তবে, এই ঘটনায় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসেনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার শনিবার মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও, খামেনির নিহত হওয়ার বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি। উল্লেখ্য, একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা পরিস্থিতিকে দ্রুত অবনতির দিকে নিয়ে যায়।

ঐতিহ্যগতভাবে ভারত ইরানের সঙ্গে উষ্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে আসছে। জ্বালানি আমদানি, আঞ্চলিক বাণিজ্য এবং চাবাহার বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত প্রকল্পে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বিদ্যমান। এই প্রেক্ষাপটে, খামেনির মৃত্যুর পর নয়াদিল্লির এই নীরবতা রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।