ঢাকা ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: ইরানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে ব্রিটিশ ঘাঁটি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবং ইরানের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রকে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার নিশ্চিত করেছেন যে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ওপর সম্ভাব্য হামলা চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সোমবার প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, যুক্তরাজ্য যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করবে না।

প্রধানমন্ত্রী স্টারমার বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র রাষ্ট্রগুলো তাদের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য যুক্তরাজ্যের আরও সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ব্রিটিশ বিমান বাহিনী বর্তমানে আকাশপথে যৌথ প্রতিরক্ষা অভিযানে অংশ নিচ্ছে এবং ইতোমধ্যেই ইরানের ছোড়া বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই হুমকি পুরোপুরি নির্মূল করার একমাত্র কার্যকর উপায় হলো এর উৎসস্থলে আঘাত হানা। অর্থাৎ, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগার বা উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করে দেওয়া। যুক্তরাষ্ট্র ‘নির্দিষ্ট এবং সীমিত প্রতিরক্ষা স্বার্থে’ ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিল, যা যুক্তরাজ্য গ্রহণ করেছে। এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানকে আঞ্চলিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো থেকে বিরত রাখা, যাতে নিরীহ মানুষের প্রাণহানি না ঘটে, ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন ঝুঁকিতে না পড়ে এবং সংঘাতের সাথে জড়িত নয় এমন দেশগুলোতেও হামলা চালানো থেকে তারা বিরত থাকে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান ও রাশিয়ার তেল রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের ছাড় আর বাড়বে না

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: ইরানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে ব্রিটিশ ঘাঁটি

আপডেট সময় : ০৯:৪০:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবং ইরানের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রকে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার নিশ্চিত করেছেন যে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ওপর সম্ভাব্য হামলা চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সোমবার প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, যুক্তরাজ্য যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করবে না।

প্রধানমন্ত্রী স্টারমার বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র রাষ্ট্রগুলো তাদের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য যুক্তরাজ্যের আরও সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ব্রিটিশ বিমান বাহিনী বর্তমানে আকাশপথে যৌথ প্রতিরক্ষা অভিযানে অংশ নিচ্ছে এবং ইতোমধ্যেই ইরানের ছোড়া বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই হুমকি পুরোপুরি নির্মূল করার একমাত্র কার্যকর উপায় হলো এর উৎসস্থলে আঘাত হানা। অর্থাৎ, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগার বা উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করে দেওয়া। যুক্তরাষ্ট্র ‘নির্দিষ্ট এবং সীমিত প্রতিরক্ষা স্বার্থে’ ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিল, যা যুক্তরাজ্য গ্রহণ করেছে। এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানকে আঞ্চলিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো থেকে বিরত রাখা, যাতে নিরীহ মানুষের প্রাণহানি না ঘটে, ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন ঝুঁকিতে না পড়ে এবং সংঘাতের সাথে জড়িত নয় এমন দেশগুলোতেও হামলা চালানো থেকে তারা বিরত থাকে।