মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতের দ্বিতীয় দিনে হরমুজ প্রণালির উভয় পাশে শতাধিক বাণিজ্যিক জাহাজ আটকা পড়েছে। এই কৌশলগত জলপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বিশ্বজুড়ে অপরিশোধিত তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ১৫০টি তেল ও এলএনজি বাহী ট্যাংকার প্রণালির বাইরে পারস্য উপসাগরের খোলা পানিতে নোঙর করে আছে। একইসাথে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের অন্য পাশেও আরও অনেক জাহাজ স্থির অবস্থায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর অঞ্চলটি নতুন করে যুদ্ধাবস্থার মধ্যে পড়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশেরও বেশি এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। তাই এখানে যেকোনো ধরনের অচলাবস্থা বিশ্ব অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। ইরাক ও সৌদি আরবের মতো প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর উপকূলের কাছাকাছি খোলা জলসীমায় ট্যাংকারগুলো জড়ো হয়ে আছে। একইভাবে বিশ্বের শীর্ষ এলএনজি রপ্তানিকারক দেশ কাতারের উপকূলের কাছেও বেশ কিছু জাহাজ অবস্থান নিয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় জাহাজ মালিক ও অপারেটররা নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে এই পথে চলাচল স্থগিত রেখেছেন।
রিপোর্টারের নাম 




















