ঢাকা ১২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, ইরানে ৪০ দিনের শোক

মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ও ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে তেহরানে নিজ দপ্তরে অবস্থানকালে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের এক যৌথ হামলায় তিনি প্রাণ হারান। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা ‘ফারস নিউজ এজেন্সি’ এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

সংবাদ সংস্থাটির এক বিশেষ সম্প্রচারে কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে উপস্থাপক সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর সংবাদ পাঠ করেন। একই সঙ্গে এই অপূরণীয় ক্ষতিতে ইরানে আগামী ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি এক বিবৃতিতে এই ঘটনাকে ‘কাপুরুষোচিত হামলা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, শনিবার ভোরে যখন খামেনি তার দপ্তরে দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন, ঠিক তখনই এই অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এই ঘটনা কেবল ইরান নয়, বরং সমগ্র বিশ্ব রাজনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আয়াতুল্লাহ আলী হোসেইনি খামেনি ছিলেন ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের অবিসংবাদিত নেতা, যাকে বিশ্ব ‘সুপ্রিম লিডার’ হিসেবে চেনে। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ইরানের শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। যদিও তিনি সরাসরি কোনো নির্বাচনে অংশ নিতেন না কিংবা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে খুব একটা ভাষণ দিতেন না, তবুও মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক চালে তার সিদ্ধান্তই ছিল চূড়ান্ত। তার প্রয়াণে ওই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সমীকরণে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি হলো।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দোকানে দোকানে ঈদ পোশাকের রঙিন পসরা, জমে উঠছে কেনাকাটা

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, ইরানে ৪০ দিনের শোক

আপডেট সময় : ১০:৩৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ও ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে তেহরানে নিজ দপ্তরে অবস্থানকালে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের এক যৌথ হামলায় তিনি প্রাণ হারান। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা ‘ফারস নিউজ এজেন্সি’ এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

সংবাদ সংস্থাটির এক বিশেষ সম্প্রচারে কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে উপস্থাপক সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর সংবাদ পাঠ করেন। একই সঙ্গে এই অপূরণীয় ক্ষতিতে ইরানে আগামী ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি এক বিবৃতিতে এই ঘটনাকে ‘কাপুরুষোচিত হামলা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, শনিবার ভোরে যখন খামেনি তার দপ্তরে দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন, ঠিক তখনই এই অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এই ঘটনা কেবল ইরান নয়, বরং সমগ্র বিশ্ব রাজনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আয়াতুল্লাহ আলী হোসেইনি খামেনি ছিলেন ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের অবিসংবাদিত নেতা, যাকে বিশ্ব ‘সুপ্রিম লিডার’ হিসেবে চেনে। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ইরানের শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। যদিও তিনি সরাসরি কোনো নির্বাচনে অংশ নিতেন না কিংবা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে খুব একটা ভাষণ দিতেন না, তবুও মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক চালে তার সিদ্ধান্তই ছিল চূড়ান্ত। তার প্রয়াণে ওই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সমীকরণে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি হলো।