ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল (নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করুন, যদি থাকে) নিজের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে ট্রাম্প এই তথ্য জানান। তিনি খামেনিকে ‘ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং তার মৃত্যুকে ইরানের জনগণের জন্য দেশ পুনরুদ্ধারের এক সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে মন্তব্য করেন।
এই একই তথ্য তিনি পূর্বে এবিসি নিউজকেও জানিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান ইতোমধ্যেই ‘সফল’ হয়েছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে যে তারা তাদের ভাষায় ‘প্রাথমিক হামলার ধাপে’ ইরানের প্রতিরক্ষা নেতৃত্বকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করতে সক্ষম হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে আইডিএফ দাবি করেছে যে, এই তালিকায় আলি শামখানি, মোহাম্মদ পাকপুর এবং আজিজ নাসিরজাদেহ-এর মতো নেতারা রয়েছেন। এদের ছবি ও প্রোফাইলও পোস্ট করা হয়েছে।
—
কিছু অতিরিক্ত বিষয় যা আপনি যুক্ত করতে পারেন (যদি প্রয়োজন হয়):
ঘটনার প্রেক্ষাপট: এই হামলার কারণ বা পূর্বের কোনো ঘটনার সূত্রপাত থাকলে তা সংক্ষিপ্তভাবে উল্লেখ করা যেতে পারে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া: অন্যান্য দেশ বা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া থাকলে তা যোগ করা যেতে পারে।
ইরানের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া: ইরান সরকার বা সংশ্লিষ্ট কোনো সূত্র থেকে এই বিষয়ে কোনো বক্তব্য এসেছে কিনা, তা উল্লেখ করা যেতে পারে।
এই রি-রাইট করা সংস্করণটি মৌলিক তথ্য অক্ষুণ্ণ রেখে নতুন শব্দচয়ন এবং পেশাদারী কাঠামোর উপর জোর দিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 


















