যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর মার্চের প্রথম সপ্তাহে দুদিনের সফরে ঢাকায় আসছেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটিই হবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের কোনো উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধির প্রথম দ্বিপক্ষীয় ঢাকা সফর। শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু ওই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ঝুঁকির মুখে থাকা উত্তরণ ঘটেছে, এমন প্রেক্ষাপটে এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
গতকাল সোমবার মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এই সাক্ষাতে আসন্ন পল কাপুরের ঢাকা সফরের বিষয়টি মূল আলোচ্যসূচির অন্যতম ছিল।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূতের আলোচনায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্বের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এই অংশীদারত্ব পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং শান্তি ও উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকারের ওপর প্রতিষ্ঠিত। উভয় পক্ষই বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, উন্নয়ন অংশীদারত্ব, অভিবাসন এবং জনগণের মধ্যে বিনিময়সহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল ক্ষেত্রগুলো পর্যালোচনা করে।
বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ সময় বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান এবং মিয়ানমারে তাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য ওয়াশিংটনের টেকসই রাজনৈতিক সমর্থন প্রত্যাশা করেন। উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করে যে, ভবিষ্যতে সকল ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের আগে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে পৃথক এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেখানেও তাঁদের মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
রিপোর্টারের নাম 



















