আসন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে সামনে রেখে দেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলই এখন নিবিড় প্রস্তুতিতে মগ্ন। একদিকে যেমন চলছে অভ্যন্তরীণ কৌশল নির্ধারণী সভা, অন্যদিকে তেমনি মাঠ পর্যায়ে দলীয় কাঠামোকে শক্তিশালী করার নিরন্তর প্রচেষ্টা। উভয় দলই একে অপরের রাজনৈতিক গতিবিধি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং নিজেদের অবস্থান সুসংহত করার জন্য প্রয়োজনীয় ‘হোমওয়ার্ক’ সম্পন্ন করছে।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আগামী দিনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দুই দলই নিজেদের সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত করছে। ক্ষমতাসীন দল তাদের সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সাফল্যের বার্তা তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছে দিতে নানামুখী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। একইসঙ্গে দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা এবং নির্বাচনী ইশতেহারের খসড়া প্রণয়ন নিয়েও চলছে জোর আলোচনা। জনমত জরিপ ও স্থানীয় পর্যায়ের ফিডব্যাক বিশ্লেষণ করে নিজেদের কৌশল শাণিত করছে তারা।
অন্যদিকে, বিরোধী দল সরকারের দুর্বলতা ও ব্যর্থতাগুলো জনসম্মুখে তুলে ধরে জনমত নিজেদের পক্ষে আনার চেষ্টা করছে। দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করা, আন্দোলন-সংগ্রামের রূপরেখা তৈরি এবং জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে বিভিন্ন কর্মসূচির পরিকল্পনা চলছে। তারা সম্ভাব্য রাজনৈতিক জোট গঠন এবং সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার বিষয়েও চিন্তাভাবনা করছে। তৃণমূলের কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে এবং নতুন নেতৃত্ব বিকাশেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
উভয় পক্ষই একে অপরের কৌশল, জনসমর্থন এবং দুর্বল দিকগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি হতে পারে, অথবা কোনো বড় রাজনৈতিক আন্দোলনের পূর্বাভাসও হতে পারে। তবে যে উদ্দেশ্যেই হোক না কেন, দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলো এখন নীরবে নিজেদের গোছাতে ব্যস্ত, যার প্রভাব অদূর ভবিষ্যতে দেশের রাজনীতিতে স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
রিপোর্টারের নাম 





















