দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে সময়ের উপযোগী ও কার্যকর করতে হলে সনাতন বা পুরোনো ধ্যান-ধারণা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, বর্তমান সময়ের চাহিদা মেটাতে সৃজনশীলতা ও নতুন উদ্ভাবনী চিন্তাকে গুরুত্ব দিয়ে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণের অঙ্গীকার নিয়ে সরকার কাজ করছে। শুধু সচিবালয় কেন্দ্রিক সততা বজায় রাখলেই চলবে না, বরং মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিটি দপ্তর ও সংস্থার কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। সুশাসনের মাধ্যমেই দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে একটি দৃশ্যমান ও ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও দেশের শিক্ষার গুণগত মান এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড এবং এর মূল ভিত্তি হলো প্রাথমিক শিক্ষা। তাই প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ছাড়া সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। এই স্তরটিকে আরও শক্তিশালী করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার ওপর তিনি জোর দেন।
সভায় মন্ত্রণালয়ের বর্তমান কার্যক্রম, চলমান বিভিন্ন প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে একটি পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনা তুলে ধরেন যুগ্মসচিব নুরুন্নাহার। এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের রানাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 



















