বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ চর এলাকাগুলোতে অর্গানিক কৃষির সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে রপ্তানি-মুখী শস্য উৎপাদনে বিশেষ গুরুত্বারোপ করার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী। মন্ত্রী মনে করেন, এই অঞ্চলগুলোর উর্বর মাটি এবং অনুকূল পরিবেশ আন্তর্জাতিক বাজারে উচ্চমূল্যের অর্গানিক পণ্য সরবরাহের এক নতুন দুয়ার খুলে দিতে পারে।
রবিবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে এই অভিমত ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, কৃষিখাতকে শক্তিশালী করার মাধ্যমেই দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করা সম্ভব। এই লক্ষ্যে কৃষিখাতকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এর মধ্যে সার ও রাসায়নিকের ব্যবহার কমিয়ে মাটির স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার, উন্নত সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে খাল খনন এবং আধুনিক কৃষি পদ্ধতির প্রসারের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, শিল্পভিত্তিক (ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্কেল) কৃষি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে চরাঞ্চলের কৃষি উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া অপরিহার্য। এই অঞ্চলগুলোকে অর্গানিক শস্য উৎপাদনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা গেলে তা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত কৃষি, খাদ্য ও মৎস্য এবং প্রাণীসম্পদ প্রতিমন্ত্রী প্রকৃত কৃষকদের প্রণোদনা, কৃষি ঋণ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। তিনি জানান, কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ প্রদানের প্রক্রিয়া সরকার ইতোমধ্যে শুরু করেছে, যা তাদের সরকারি সুবিধা প্রাপ্তি সহজ করবে।
কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান সভায় সভাপতিত্ব করেন।
রিপোর্টারের নাম 



















