ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শেখ হাসিনার প্লট দুর্নীতি মামলার পরবর্তী শুনানি ৬ নভেম্বর

ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচল নিউ টাউন প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা পৃথক মামলায় দুদক কর্মকর্তা আফনাত জাহান কেয়াকে জেরা করা হয়েছে। একইসঙ্গে মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৬ নভেম্বর দিন নির্ধারণ করছে আদালত।

সোমবার (৩ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন এ আদেশ দেন।

গত ২৯ অক্টোবর আদালতে এই মামলায় আত্মসমর্পণ করেন রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। তার আইনজীবী মোহাম্মদ শাহীনুর ইসলাম মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা করার সুযোগ পান। পরবর্তীতে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুনের এজলাসে তদন্ত কর্মকর্তা আফনাত জাহান কেয়াকে জেরা করেন।

বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন দুদকের আইনজীবী মইনুল হাসান।

দুদকের অভিযোগ, রাজউকের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার যোগসাজশে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যরা পূর্বাচলের ২৭ নম্বর সেক্টরের কূটনৈতিক অঞ্চলে বিধি বহির্ভূতভাবে ছয়টি ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন। বিধি অনুযায়ী তারা এসব প্লট পাওয়ার যোগ্য ছিলেন না।

গত ২৫ মার্চ দুদক ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে ছয়টি মামলার অভিযোগপত্র জমা দেয়। পরে ৩১ জুলাই মোট ২৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয় এবং তাদের পলাতক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সেমিফাইনালের স্বপ্ন জিইয়ে রাখার লড়াই: শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি পাকিস্তান, সামনে পাহাড়সম সমীকরণ

শেখ হাসিনার প্লট দুর্নীতি মামলার পরবর্তী শুনানি ৬ নভেম্বর

আপডেট সময় : ০৫:১৬:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচল নিউ টাউন প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা পৃথক মামলায় দুদক কর্মকর্তা আফনাত জাহান কেয়াকে জেরা করা হয়েছে। একইসঙ্গে মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৬ নভেম্বর দিন নির্ধারণ করছে আদালত।

সোমবার (৩ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন এ আদেশ দেন।

গত ২৯ অক্টোবর আদালতে এই মামলায় আত্মসমর্পণ করেন রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। তার আইনজীবী মোহাম্মদ শাহীনুর ইসলাম মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা করার সুযোগ পান। পরবর্তীতে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুনের এজলাসে তদন্ত কর্মকর্তা আফনাত জাহান কেয়াকে জেরা করেন।

বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন দুদকের আইনজীবী মইনুল হাসান।

দুদকের অভিযোগ, রাজউকের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার যোগসাজশে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যরা পূর্বাচলের ২৭ নম্বর সেক্টরের কূটনৈতিক অঞ্চলে বিধি বহির্ভূতভাবে ছয়টি ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন। বিধি অনুযায়ী তারা এসব প্লট পাওয়ার যোগ্য ছিলেন না।

গত ২৫ মার্চ দুদক ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে ছয়টি মামলার অভিযোগপত্র জমা দেয়। পরে ৩১ জুলাই মোট ২৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয় এবং তাদের পলাতক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।