কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লির ‘আমিন, আমিন’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে শেষ হলো দুই দিনব্যাপী হযরত মাওলানা আবু বকর আব্দুল হালীম হুছাইনী (র.) এর ৫৭তম বার্ষিক ইছলাহী ও তালিমী জলছা। মঙ্গলবার সকালে আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে এই বিশাল সমাবেশ সম্পন্ন হয়, যেখানে দেশ ও জাতির উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও বিশ্ব শান্তি কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানানো হয়।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় জামিয়া হুছাইনীয়া আসআদুল উলুম কওমী ইউনিভার্সিটি ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় আখেরি মোনাজাত। মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশিষ্ট আলেম হযরত মাওলানা মো. জসীম উদ্দিন হাটহাজারী। এ সময় লাখো মুসল্লির কণ্ঠে উচ্চারিত ‘আমিন’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ময়দান। মোনাজাতে ব্যক্তিগত কল্যাণসহ দেশ ও জাতির সার্বিক শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনা করা হয়।
গত রোববার বাদ আছর খতমে বুখারী শরীফ উপলক্ষে আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল এই দুই দিনব্যাপী ইছলাহী ও তালিমী জলছা। এতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রখ্যাত উলামায়ে কেরামগণ দ্বীন ও ঈমানের বিভিন্ন দিক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করেন।
প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন হযরত মাওলানা আব্দুল হালীম হুছাইনী (র.) প্রতিষ্ঠিত জামিয়া হুছাইনীয়া আসআদুল উলুম কওমী ইউনিভার্সিটি ময়দানে আয়োজিত এই জলছায় পাকুন্দিয়া উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে লাখো ধর্মপ্রাণ মুসলমান অংশ নেন। মুসল্লিদের নির্বিঘ্ন সেবা নিশ্চিত করতে প্রায় দুই হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করেন।
উল্লেখ্য, উপ-মহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে-দ্বীন হযরত মাওলানা আব্দুল হালিম হুছাইনী (র.) ১৯৬২ সালে উপজেলার তারাকান্দি গ্রামে এই দ্বীনি মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে মাদ্রাসাটি ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।
রিপোর্টারের নাম 





















