নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় খাসির মাংস বলে কুকুরের মাংস বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে মো. এনতাজুল (৫৫) নামের এক কসাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই চক্রের অপর এক সদস্য দুলু মিয়া (৫৭) এখনও পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার ভোরে উপজেলার মঙ্গলবাড়ী এলাকার একটি আলুক্ষেতে কসাই এনতাজুল এবং তার সহযোগী দুলু মিয়া একটি কুকুর জবাই করেন। এরপর জবাই করা কুকুরের মাংস খাসির মাংস হিসেবে মঙ্গলবাড়ী বাজারে বিক্রির চেষ্টা চালান তারা।
বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়দের নজরে এলে তারা কসাইদের ধাওয়া করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে এনতাজুল ও দুলু প্রায় ২৫ কেজি কুকুরের মাংস ফেলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে ধামইরহাট থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি কুকুরের মাথা, চামড়া এবং ফেলে যাওয়া ২৫ কেজি মাংস উদ্ধার করে।
জনগণকে খাসির বদলে কুকুরের মাংস খাওয়ানোর এই জঘন্য অপরাধে কসাই এনতাজুল ও দুলু মিয়ার বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকেই পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালায়। সোমবার রাতে উপজেলার নানাইচ এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় এনতাজুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোখলেছুর রহমান মঙ্গলবার জানান, গ্রেপ্তারকৃত এনতাজুলকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামি দুলু মিয়া পলাতক রয়েছেন এবং তাকে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
রিপোর্টারের নাম 




















