ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

নবনির্বাচিত সরকারের সামনে তারেক রহমানের উত্থাপিত প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৩:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হওয়ার পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে নবনির্বাচিত সরকারের সামনে বিদ্যমান প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, অকার্যকর করে দেওয়া সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান এবং দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি—এমন একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু করতে হচ্ছে।”

নির্বাচন পরবর্তী সময়ে উসকানি সৃষ্টির চেষ্টার কথা উল্লেখ করে বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রতি তিনি শান্ত ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সেজন্য সকল প্রকার উসকানির মুখেও আমি সারাদেশে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের শান্ত ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। কোনো অপশক্তি যাতে পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে।”

মি. রহমান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন যে, কোনো ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না। তিনি বলেন, “দলমত, ধর্ম-বর্ণ বা ভিন্নমত যাই হোক না কেন, কোনো অজুহাতেই দুর্বলের উপর সবলের আক্রমণ মেনে নেওয়া হবে না।”

দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের বিষয়েও তিনি ইঙ্গিত দেন। তিনি বলেন, “নির্বাচনে একে অপরের বিরুদ্ধে বা একদল আরেক দলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে নির্বাচনের মাঠে হয়তো কোথাও কোথাও নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। তবে এ ধরনের বিরোধ যেন প্রতিশোধ-প্রতিহিংসায় রূপ না নেয়, সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাই।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংস্কার ইস্যুতে দলের অবস্থানের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

নবনির্বাচিত সরকারের সামনে তারেক রহমানের উত্থাপিত প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হওয়ার পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে নবনির্বাচিত সরকারের সামনে বিদ্যমান প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, অকার্যকর করে দেওয়া সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান এবং দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি—এমন একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু করতে হচ্ছে।”

নির্বাচন পরবর্তী সময়ে উসকানি সৃষ্টির চেষ্টার কথা উল্লেখ করে বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রতি তিনি শান্ত ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সেজন্য সকল প্রকার উসকানির মুখেও আমি সারাদেশে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের শান্ত ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। কোনো অপশক্তি যাতে পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে।”

মি. রহমান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন যে, কোনো ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না। তিনি বলেন, “দলমত, ধর্ম-বর্ণ বা ভিন্নমত যাই হোক না কেন, কোনো অজুহাতেই দুর্বলের উপর সবলের আক্রমণ মেনে নেওয়া হবে না।”

দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের বিষয়েও তিনি ইঙ্গিত দেন। তিনি বলেন, “নির্বাচনে একে অপরের বিরুদ্ধে বা একদল আরেক দলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে নির্বাচনের মাঠে হয়তো কোথাও কোথাও নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। তবে এ ধরনের বিরোধ যেন প্রতিশোধ-প্রতিহিংসায় রূপ না নেয়, সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাই।”