গণতন্ত্রের বিজয় এবং বাংলাদেশের জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “আজ থেকে আমরা স্বাধীন। কোনো অপশক্তি যেন আর স্বৈরাচারী হতে না পারে, সেজন্য আমাদের জাতীয় ঐক্য সুসংহত রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে, জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি, আর বিভাজনই আমাদের দুর্বলতা।”
শনিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল-এর বলরুমে অনুষ্ঠিত নির্বাচনোত্তর এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতাকামী ও গণতন্ত্রপ্রিয় জনতা আবারও বিএনপিকে বিজয়ী করেছে। জামায়াতে ইসলামীসহ মোট ৫১টি দল এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিটি দল নিজ নিজ অবস্থান থেকে কার্যকর ভূমিকা রাখলে দেশ অভূতপূর্ব উন্নতি লাভ করবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই বিজয় গণতন্ত্রের এবং জনগণের। দেশের স্বার্থে সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। সরকার এবং বিরোধী দল উভয়েই নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করলে দেশে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের প্রতি তিনি আহ্বান জানান, দেশ গঠনে তাদের চিন্তা-ভাবনা ও পরামর্শ অত্যন্ত মূল্যবান। তিনি বলেন, “আমাদের পথ ও মত ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু দেশের স্বার্থে আমরা সবাই এক। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি, আর বিভাজনই আমাদের দুর্বলতা।”
এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, মেজর অব হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ডা. এজেডম জাহিদ হোসেন সহ শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ড. মওদুদ আহমেদ পাভেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, জয়নুল আবেদিন, শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ইসমাঈল জবিউল্লাহ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিষ্টার নাসির উদ্দীন আহমেদ অসীম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির, দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন প্রমুখ।
রিপোর্টারের নাম 
























