দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নে দেশজুড়ে সকল নেতাকর্মীকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন তারেক রহমান। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই আহ্বান জানান। এটি আসন্ন নির্বাচন পরবর্তী তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান জোর দিয়ে বলেন যে, যেকোনো মূল্যে দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা অপরিহার্য। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা বা অরাজকতা বরদাস্ত করা হবে না।
রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের মধ্যে মত ও পথের ভিন্নতা থাকতে পারে, তবে দেশের স্বার্থে আমরা সকলে এক।” তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত দেশের সকল গণতান্ত্রিক সংগ্রামে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তারেক রহমান আরও উল্লেখ করেন যে, এবারের নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করেছে, যার মধ্যে দেশের প্রধান এবং উল্লেখযোগ্য সকল রাজনৈতিক দলই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে।
এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন সহ দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ড. মওদুদ আহমেদ পাভেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, জয়নুল আবেদীন, শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ইসমাঈল জবিউল্লাহ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির, দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
রিপোর্টারের নাম 























