ঢাকা ১০:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

গুম হওয়া ভাইয়ের মায়ের সাক্ষাৎ, নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত এমপির আবেগঘন বার্তা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি এবং গুম হওয়া বিএনপি নেতা সুমনের মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। শনিবার সকালে রাজধানীর নাখালপাড়ায় তুলির বাসায় গেলে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

তুলির মা ব্যারিস্টার আরমানকে জড়িয়ে ধরে বলেন, “আমি খুব খুশি হয়েছি।” তিনি আরমানকে ‘আব্বা’ বলে সম্বোধন করেন। এ সময় আরমানের স্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় ব্যারিস্টার আরমান বলেন, তিনি যখন গুম থেকে ফিরে আসেন, তখন তার পরিবার এবং ‘মায়ের ডাক’ সংগঠনটি প্রথম তার খোঁজখবর নেয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সুমনের মতো শত শত গুম হওয়া ব্যক্তির পরিবার এখনও তাদের প্রিয়জনের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা জানতে পারেনি এবং এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের এখনও গ্রেপ্তার করা হয়নি।

আরমান এই পরিবারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমি যখন গুম ছিলাম, তখন আমার অনেক নিকটাত্মীয় যোগাযোগ রাখেনি, কিন্ত এই পরিবারটা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে। তারা গুমের শিকার পরিবারকে আন্দোলন করা শিখিয়েছে।” তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন যে, গুমের সঙ্গে জড়িত যেই হোক না কেন, যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন, তাদের বিচারের আওতায় না আনা পর্যন্ত সংগ্রাম চলবে। তিনি এই পারিবারিক সম্পর্কের গভীরতা রাজনীতির ঊর্ধ্বে বলে উল্লেখ করেন এবং আজীবন তাদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকার অঙ্গীকার করেন।

এ সময় তুলির মা আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “আমার সুমনকে বের করতে হবে। এটা আমার আবদার।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের নেতৃত্বেই দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে: ড. মঈন খান

গুম হওয়া ভাইয়ের মায়ের সাক্ষাৎ, নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত এমপির আবেগঘন বার্তা

আপডেট সময় : ০৪:২৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি এবং গুম হওয়া বিএনপি নেতা সুমনের মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। শনিবার সকালে রাজধানীর নাখালপাড়ায় তুলির বাসায় গেলে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

তুলির মা ব্যারিস্টার আরমানকে জড়িয়ে ধরে বলেন, “আমি খুব খুশি হয়েছি।” তিনি আরমানকে ‘আব্বা’ বলে সম্বোধন করেন। এ সময় আরমানের স্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় ব্যারিস্টার আরমান বলেন, তিনি যখন গুম থেকে ফিরে আসেন, তখন তার পরিবার এবং ‘মায়ের ডাক’ সংগঠনটি প্রথম তার খোঁজখবর নেয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সুমনের মতো শত শত গুম হওয়া ব্যক্তির পরিবার এখনও তাদের প্রিয়জনের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা জানতে পারেনি এবং এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের এখনও গ্রেপ্তার করা হয়নি।

আরমান এই পরিবারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমি যখন গুম ছিলাম, তখন আমার অনেক নিকটাত্মীয় যোগাযোগ রাখেনি, কিন্ত এই পরিবারটা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে। তারা গুমের শিকার পরিবারকে আন্দোলন করা শিখিয়েছে।” তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন যে, গুমের সঙ্গে জড়িত যেই হোক না কেন, যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন, তাদের বিচারের আওতায় না আনা পর্যন্ত সংগ্রাম চলবে। তিনি এই পারিবারিক সম্পর্কের গভীরতা রাজনীতির ঊর্ধ্বে বলে উল্লেখ করেন এবং আজীবন তাদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকার অঙ্গীকার করেন।

এ সময় তুলির মা আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “আমার সুমনকে বের করতে হবে। এটা আমার আবদার।”