ঢাকা ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

চলনবিলে কৃষকের চোখে জল: বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ডুবছে স্বপ্নের বোরো ধান

টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে নাটোরের সিংড়া উপজেলার চলনবিল অঞ্চলের বোরো চাষিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। মাঠের পর মাঠ পাকা ধান এখন পানির নিচে। এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ধান কেটে ঘরে তুলতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন কৃষকরা। তবে বৃষ্টির কারণে ধান শুকাতে না পারায় অনেক ক্ষেত্রে ভেজা ধানে চারা গজাতে শুরু করেছে, যা কৃষকদের লোকসানের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

সিংড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, আত্রাই নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় বিলে পানি প্রবেশ করছে। ফসল রক্ষায় স্থানীয় কৃষকরা সরকারি সাহায্যের অপেক্ষা না করে নিজেরাই বালুর বস্তা দিয়ে অস্থায়ী বাঁধ তৈরির চেষ্টা করছেন। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই এখন ব্যস্ত সোনার ফসল রক্ষায়। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর প্রায় ৩৬ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ১৫ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কৃষি কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করছেন। তবে নদীর পানি যেভাবে বাড়ছে, তাতে অস্থায়ী বাঁধ কতক্ষণ টিকে থাকবে তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কৃষকদের এই দুর্দিনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে ডিসিদের কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

চলনবিলে কৃষকের চোখে জল: বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ডুবছে স্বপ্নের বোরো ধান

আপডেট সময় : ০৪:৪১:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে নাটোরের সিংড়া উপজেলার চলনবিল অঞ্চলের বোরো চাষিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। মাঠের পর মাঠ পাকা ধান এখন পানির নিচে। এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ধান কেটে ঘরে তুলতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন কৃষকরা। তবে বৃষ্টির কারণে ধান শুকাতে না পারায় অনেক ক্ষেত্রে ভেজা ধানে চারা গজাতে শুরু করেছে, যা কৃষকদের লোকসানের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

সিংড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, আত্রাই নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় বিলে পানি প্রবেশ করছে। ফসল রক্ষায় স্থানীয় কৃষকরা সরকারি সাহায্যের অপেক্ষা না করে নিজেরাই বালুর বস্তা দিয়ে অস্থায়ী বাঁধ তৈরির চেষ্টা করছেন। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই এখন ব্যস্ত সোনার ফসল রক্ষায়। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর প্রায় ৩৬ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ১৫ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কৃষি কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করছেন। তবে নদীর পানি যেভাবে বাড়ছে, তাতে অস্থায়ী বাঁধ কতক্ষণ টিকে থাকবে তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কৃষকদের এই দুর্দিনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।