বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে একটি প্রতিযোগিতাপূর্ণ প্রক্রিয়া হিসেবে অভিহিত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল। শনিবার (তারিখ উল্লেখ করা হয়নি, তাই বাদ দেওয়া হলো) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা নির্বাচনের প্রাথমিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। প্রতিবেদনে পর্যবেক্ষক দল নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও পক্ষপাতহীন ভূমিকা পালনের জন্য প্রশংসা করেছে।
ইইউ পর্যবেক্ষকদের মতে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিকেরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন, যা গণতন্ত্র চর্চার পথে একটি নতুন মাইলফলক। তবে, সামগ্রিক নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারী প্রার্থী এবং নারীদের অংশগ্রহণের হার নিয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক আইভারস আইজ্যাবস উল্লেখ করেন যে, মোট ভোটারের তুলনায় মাত্র চার শতাংশ নারী প্রার্থীর অংশগ্রহণ রাজনৈতিক অঙ্গীকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা এবং তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আরও অধিক প্রচেষ্টা ও আন্তরিকতা প্রদর্শনের আহ্বানও জানিয়েছে ইইউ। যদিও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিছু বিচ্ছিন্ন সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে, তবে প্রধান পর্যবেক্ষক টমাস জেডেচোভস্কি সামগ্রিকভাবে নির্বাচনের পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ হিসেবে মন্তব্য করেছেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষক দল নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তারা জানিয়েছে, আগামী দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে, যেখানে ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পর্কেও পরামর্শ দেওয়া হবে। নতুন সরকার দেশের সকল নাগরিকের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে ইইউ পর্যবেক্ষক দল আশা প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিষয়টিকেও তারা গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছে।
নির্বাচনে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের অনুপস্থিতি এবং নির্বাচনটি অংশগ্রহণমূলক হয়েছে কিনা—এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধান পর্যবেক্ষক জানান যে, তাদের মূল এজেন্ডা ছিল নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করা এবং এই সফরকালে তারা সে কাজটিই করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























