ঢাকা ১২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

গাইবান্ধা-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পিছিয়ে, ৮ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৩:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দশজন প্রার্থীর মধ্যে আটজনই তাদের জামানত হারিয়েছেন। এই বিপুল সংখ্যক প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনা নির্বাচনী বিশ্লেষকদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী যদি প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট পেতে ব্যর্থ হন, তবে তার জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়। সেই নিয়ম মেনেই গাইবান্ধা-৩ আসনে আটজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন: লাঙ্গল প্রতীকের মইনুর রাব্বী চৌধুরী, ট্রাক প্রতীকের সুরুজ মিয়া, হাতপাখা প্রতীকের এটিএম আওলাদ হোসাইন, কাস্তে প্রতীকের আব্দুল্লাহ আদিল, আপেল প্রতীকের মোছাদ্দিকুল ইসলাম, কলম প্রতীকের মনজুরুল হক, ঘোড়া প্রতীকের এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি এবং ঢেঁকি প্রতীকের আজিজার রহমান।

জেলা নির্বাচন অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, নির্বাচনী নিয়ম অনুযায়ী প্রাপ্ত ভোটের শতাংশের হিসাবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মনে করছে, আসনটিতে বেশ কয়েকজন প্রার্থীর জনপ্রিয়তার অভাব এবং ভোটারদের অনীহাই এর প্রধান কারণ। এর ফলে, মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসা প্রার্থীরাও তাদের কাঙ্ক্ষিত ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছেন, যা শেষ পর্যন্ত জামানত হারানোর মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। এই পরিস্থিতি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রার্থীদের গ্রহণযোগ্যতা এবং ভোটারদের আগ্রহের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫: স্থগিতাদেশ চেয়ে করা রিটের আদেশ আজ

গাইবান্ধা-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পিছিয়ে, ৮ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

আপডেট সময় : ০২:০৩:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দশজন প্রার্থীর মধ্যে আটজনই তাদের জামানত হারিয়েছেন। এই বিপুল সংখ্যক প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনা নির্বাচনী বিশ্লেষকদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী যদি প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট পেতে ব্যর্থ হন, তবে তার জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়। সেই নিয়ম মেনেই গাইবান্ধা-৩ আসনে আটজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন: লাঙ্গল প্রতীকের মইনুর রাব্বী চৌধুরী, ট্রাক প্রতীকের সুরুজ মিয়া, হাতপাখা প্রতীকের এটিএম আওলাদ হোসাইন, কাস্তে প্রতীকের আব্দুল্লাহ আদিল, আপেল প্রতীকের মোছাদ্দিকুল ইসলাম, কলম প্রতীকের মনজুরুল হক, ঘোড়া প্রতীকের এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি এবং ঢেঁকি প্রতীকের আজিজার রহমান।

জেলা নির্বাচন অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, নির্বাচনী নিয়ম অনুযায়ী প্রাপ্ত ভোটের শতাংশের হিসাবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মনে করছে, আসনটিতে বেশ কয়েকজন প্রার্থীর জনপ্রিয়তার অভাব এবং ভোটারদের অনীহাই এর প্রধান কারণ। এর ফলে, মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসা প্রার্থীরাও তাদের কাঙ্ক্ষিত ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছেন, যা শেষ পর্যন্ত জামানত হারানোর মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। এই পরিস্থিতি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রার্থীদের গ্রহণযোগ্যতা এবং ভোটারদের আগ্রহের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।